October 11, 2026, 12:00 am
শিরোনামঃ
চাঁদপুরে দুই আড়তদারের জরিমানা, ইলিশ ও নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ চাঁদপুরে নিষিদ্ধ চায়না জালসহ ৩ জেলে গ্রেপ্তার মতলব উত্তরে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির কমিটি গঠন চাঁদপুরে দুর্গাপূজায় ২৩২ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ, চলছে রং-তুলির শেষ আঁচড় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে মেঘনা নদীতে কারেন্ট জাল ও চায়না চাই জব্দ, গ্রেপ্তার ৩ ষাটনলে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা শাহ আলম ভূঁইয়ার, মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন গড়ার অঙ্গীকার মতলবের ডাকঘরগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে সেবা, জরাজীর্ণ ভবনে আতঙ্ক ফেসবুকে নবীজিকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, যুবককে ধরে পুলিশে দিল জনতা চাঁদপুরে বিশ্ব ডাক দিবসে বর্ণাঢ্য র‌্যালী চাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট দগ্ধ শিশু পাঁচদিন পরে মৃত্যু, অপর শিশু আশঙ্কাজনক

চট্টগ্রাম ক্লাবের আবাসিক কক্ষ থেকে সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদের মরদেহ উদ্ধার!

বিশেষ প্রতিনিধি, চট্রগ্রাম :

আজ সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম ক্লাবের আবাসিক কক্ষ থেকে সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

কক্ষে তার কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় কক্ষটি খুলে মৃত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।
 
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, চট্টগ্রাম ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন।
 
তিনি বলেন, “সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদ ক্লাবের গেস্টহাউসের একটি কক্ষে একা ছিলেন। আজ অনেক বেলা পর্যন্ত তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় ক্লাবের লোকজন বিচলিত হন। এরপর দুপুর ১২টার পর পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে কক্ষের তালা খুলে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।”
 
তিনি আরও বলেন, “চিকিৎসকদের ধারণা কক্ষের মধ্যে রাতে তার মৃত্যু হয়েছে।”
 
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, “সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল চট্টগ্রামের চিকিৎসকদের একটি দল চট্টগ্রাম ক্লাবে এসে সাবেক সেনাপ্রধানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পরে তারা সাবেক সেনাপ্রধানকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে তারা জানিয়েছেন।”
 
এম হারুন-অর-রশীদ ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসিন্দা। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত হন। ২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে উন্নীত হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন।
 
২০০২ সালের জুনে জেনারেল হাসান মশহুদ তার স্থলাভিষিক্ত হন। অবসর গ্রহণের পর এম হারুন-অর-রশীদ অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ফিজিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 
এছাড়াও এম হারুন-অর-রশীদ ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দেন ২০০৬ সালে। পরের কয়েক বছরে আরও বহু ক্ষেত্রে ডেসটিনির ব্যবসা বিস্তৃত হতে দেখা যায়। এরপর জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ তুঙ্গে উঠলে ২০১২ সালে হারুনকে কারাগারেও যেতে হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা