October 15, 2026, 2:20 pm
শিরোনামঃ
সিরাজগঞ্জে পৃথক মাদক মামলায় দুজনের কারাদণ্ড দুর্যোগ ও শরণার্থী সহায়তায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ছে, উপকার পাচ্ছেন টেকনাফের রোহিঙ্গারাও বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে প্রথমবার ডাক পেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেভিন উইকহ্যাম খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় অপরিবর্তিত সৌদি আরবগামী ফ্লাইট বাতিলে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জামায়াত আমিরের মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির খপ্পরে বাংলাদেশ সোনালী ও স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার হালনাগাদ হচ্ছে নতুন বিধি করে সরকারি কর্মচারীদের অর্জিত পদোন্নতির অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না মতলব দক্ষিণে বিলে কম্বল মোড়ানো বস্তা থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ঘরে ঘরে কদর বেড়েছে লাকড়ি চুলার!

মমিনুল ইসলাম:

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে লাকড়ি চুলার ফের কদর বাড়ছে। বিগত বছরগুলোতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ঘরে ঘরে সিলিন্ডার গ্যাসের চুলা জ্বলতে দেখা গেছে। কিন্তু দফায় দফায় গ্যাসের দাম বাড়ার কারণে বর্তমানে গ্যাসের চুলার ব্যবহার বহুলাংশে কমে গেছে। অধিকাংশ গৃহিনীরা হাতে বানানো চুলা ব্যবহার করছেন, ফিরে গেছেন আগের পদ্ধতিতে।

জানা য়ায়, ৭৫০ টাকার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ১৪৫০ থেকে ১৫০০ টাকায় ঠেকেছে। তাই গ্যাসের চুলার বিকল্প হিসেবে উপজেলার ঘরে ঘরে গৃহিনীরা হাতে বানাচ্ছেন লাকড়ি চুলা। পাশাপাশি অনেকে কিনছেন বিভিন্ন কোম্পানির বানানো ‘বন্ধু চুলা’। হাটে বাজারেও বিক্রি হচ্ছে লাকড়ির চুলা। প্রতিটি লাকড়ি চুলা এখন ৩৫০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাটির চুলা তৈরি করা ঝামেলা তাই বাজার থেকে সিমেন্ট বালুর তৈরি চুলা বিক্রি বেড়েছে কয়েক গুন।

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজারে সিমেন্টের চুলা বিক্রেতা টিপু সুলতান বলেন, আগে সারাদিন বিভিন্ন হাট-বাজারে ঘুরে ঘুরে ১ থেকে ২ টি চুলা বিক্রি করতাম। এখন ১০ থেকে ১৫ টি চুলা বিক্রি করতে পারছি।

এদিকে উপজেলার আধুরভিটি গ্রামের গৃহীনি রোকেয়া বেগম জানান, এতো দামের গ্যাস কিনে আমাদের পক্ষে রান্নাবান্না করা সম্ভব না। তাই কষ্ট করে হলেও নিজের হাতে বানানো লাকড়ির চুলায় রান্না করছি। তাছাড়া হাতে বানানো চুলায় রান্না করতে তেমন লাকড়ির প্রয়োজন হয় না। গ্যাসের চাইতেও খরচ কম।

উপজেলা দশানী এলাকার গৃহিনী জাহানারা বেগম জানান, বাপ দাদার আমল থেকে মাটির চুলায় রান্নাবান্না করছি। জ্বালানি হিসেবে ছিল ঘুটে, পাটখড়ি, বাশের কঞ্চি, গাছের মরা ডাল, খরকুটো আর ঝরা পাতা। পরে আসলো গ্যাসের চুলা। কিন্তু এখন দাম বেশি। তাই আগের লাকড়ির চুলাই ভালো।

এ ব্যাপারে, জীবগাঁও জেনারেল হক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আলী হোসেন জানান, এ উপজেলায় গ্যাস লাইন নেই, এখানে এলপিজি গ্যাস দিয়ে রান্না করা হয়। গ্যাসের সিলেন্ডর কিনে অনেকে গ্যাসের চুলায় রান্না করত। কিন্তু দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষ ফের ফিরে যাচ্ছে লাকড়ির চুলায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা