বাংলাদেশের চারদিকে যখন শিক্ষার মানোন্নতির দিকে তখন ধর্মপাশায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলছে অনিয়ম। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় মুদাহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে চলছে পাঠদান এবং বিভিন্ন অনিয়ম।
এবিষয়ে এলাকার বাসিন্দারা বলেন,
১/ সঠিক সময়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয় না।
২/ প্রতিদিন স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী ছুটি হয় না। ০২.৩০মিনিটে স্কুলে তালা ঝুলানো থাকে এবং সঠিক সময়ে শিক্ষকরা উপস্থিতি হয়না।
৩/ স্কুলের তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।
৪/ ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সকল শিক্ষক শিক্ষিকা মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
৫/ দপ্তরী বিহীন বিদ্যালয়।
৬/ বেলা ১১.৫৫ মিনিটে গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কোন শিক্ষক শিক্ষিকা ক্লাসে যায়নি।
৭/ শিক্ষার গুণগত মান ভাল না হওয়ায় মুদাহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি না করে ৮০% শিক্ষার্থী সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ভর্তি হয়েছে।
এ ব্যাপারে মুদাহরপুর গ্রামের বর্তমান সেলবরষ ইউনিয়নের ০৯নং ওয়ার্ড এর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, এভাবে কোন প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না, সরকার তাদের বেতন দেয়, কিন্তু তাঁরা গায়ে হাওয়া লাগিয়ে স্কুল করে, এভাবে নিজেদের ইচ্ছে মতো চললে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। তাই আমার অনুরোধ তাদেরকে আইনের আওতায় এনে তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত বিচার করতে হবে।
এবিষয়ে মুদাহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোবারক হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে এর সঠিক কোন উত্তর দিতে পারেননি। তিনি বিভিন্ন ভাবে কথা কাটিয়ে দেন। আমার ব্যাপারে যে সকল অভিযোগ এসেছে তা ভিত্তীহীন ও বানোয়াট। প্রয়োজনে আপনারা তদন্ত করতে পারেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে শিক্ষা অফিসার মানবেন্দ্র দাস এর সঙ্গে মুটোফোনে কথা বললে- তিনি বলেন, আপনি যে অনিয়মগুলো ধরেছেন তার সাথে আমি অনেটাই একমত পোষণ করছি।
ধর্মপাশা উপজেলার শিক্ষা অফিসার আরও বলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ মোবারক হোসেন এর নামে এরকম আরও অভিযোগ এসেছে আমরা থাকে শোকজ করেছি এবং তার উপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।