সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় উকিলপাড়া সার্কেল অফিস সংলগ্ন পূর্ব পাশে যে জমিটুকু আছে তাহা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে আর যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
মোছাম্মদ রহিমা আক্তার বিগত ১৯/০৫/২০০৩ইং সালে খরিদ মূলে মালিক হন।
তিনি দাবি তুলেন এই জায়গাটি গর্ত ছিল আমি নোঁয়াবন্দ থেকে পুকুরের মাটি এনে উক্ত জায়গাটি ভরাট করি এবং গাছ গাছালি রোপন করি।
এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উকিল পাড়ার ইউনুস আলী বলেন, উক্ত জায়গাটি দীর্ঘদিন আগে রহিমা বেগম ক্রয় করেন বিষয়টি আমি অবগত। প্রতিবেশী মারফত আলী বলেন জায়গাটি দীর্ঘদিন যাবত রহিমা বেগম ভোগ দকল করে আসছে এবং গাছপালাদি রোপন করেছে জায়গাটি রহিমা বেগমের। রহিমা বেগমের স্বামী মোহাম্মদ রহমত আলী বলেন এই জায়গাটি ২০০৩ সালে আমি ওয়ারিশগণের কাছ থেকে ক্রয় করেছি এই জায়গার মালিক আমি, তাদের কোন কাগজপত্র নেই এ বিষয়ে একটি মামলা চলমান রহিয়াছে যা ভুলবশত এই জমিটুকু বারেক মিয়া ও আলেক মিয়ার নামে রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। প্রশাসনের কাছে আমার দাবি আমার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে উপযুক্ত প্রমাণের প্রেক্ষিতে যদি আমি জাগার মালিক হই তাহলে আমার জায়গা যেন আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়, আর যদি তারা দলিল মূলে মালিক হয় তাহলে আমার এখানে কোন আপত্তি নেই।
প্রতিপক্ষ বারেক মিয়া ও আলেক মিয়া বলেন, জায়গাটি আমার পিতা ৫০ বছর আগে এই জমি ক্রয় করেন এবং আমাদের তিন ভাইয়ের নামে দিয়ে যান, এত বছর যাবত আমরা এই জমি ভোগ দকল করে আসছি। বাদী পক্ষ আমাদেরকে মামলার মধ্যে ফেলে হয়রানি করে তুলে, কয়েক বছর যে কারণে আমরা বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তর হই তার সুযোগ নিয়ে তারা জমিটি দখল করে, এবং বিভিন্ন জনের কাছে কিছু জায়গা বিক্রি করে। আমার প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন আমার জায়গাটুকু যেন আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।