September 30, 2026, 12:54 pm
শিরোনামঃ
আজকের বাংলাদেশ : রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন বাস্তবতা চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে আহত ৩ রোগী, আতঙ্কে অন্য রোগীরা জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচনে তৃতীয় চাঁদপুরের হোসনে আরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত নারীদের মসজিদে সালাত আদায় : কোরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে মোংলা নদীতে ভালোবাসার ফুল ছিটিয়ে বিশ্ব নদী দিবস পালন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬ উদযাপন মাদকের আগ্রাসন ঠেকাতে ডোপ টেস্ট সনদ চালু সময়ের দাবি বাগেরহাটে ক্যাথলিক চার্চে ভাঙচুর, পুকুর থেকে মা মারিয়ার মূর্তি উদ্ধার; যুবক গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় প্রতিবন্ধী স্কুলের ২৮০ কেজি বই বিক্রির অভিযোগ

রাজু ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া ও সহকারী শিক্ষিকা সীমা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৮০ কেজি সরকারি পুরোনো বই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় উপজেলার দুধবহর গ্রামের বাসিন্দা আরিফ (৩৫) নামের এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এলাকাবাসী, বই ক্রেতা ও স্কুল সূত্রে জানা গেছে, ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতি কেজি পুরোনো বই ১৩টাকা দামে উপজেলার নোয়াবন্দ গ্রামের কিতাব আলীর (৬৫) কাছে বিক্রি করেন। ওইদিন বেলা ১টার দিকে ওই স্কুলটির সহকারী শিক্ষক সীমা আক্তারের কাছ থেকে ২৮০ কেজি এসব পুরোনো বই মেপে বুঝে নেনে ওই বই বিক্রেতা। ওইদিন বেলা ২টার দিকে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টির সামনের সড়কে ভ্যানগাড়ি ভর্তি প্লাস্টিকের বস্তায় মুড়ানো বই দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তারা ভ্যানগাড়ি ভর্তি সরকারি বইগুলো উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের সহকারী শিক্ষক সীমা আক্তারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান হুম আমরা বিক্রি করেছি তবে এগুলো পুরাতন বই।

প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া দাবি করেন, পুরোনো বইগুলো থাকার কারণে স্কুলের অফিস রুমের ভেতরের পরিবেশটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তাই বইগুলো বিক্রি করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, আমরা যে ভুলটা করেছি সেটি হলো ইউএনও স্যারকে বই বিক্রির বিষয়টি অবগত করিনি।

সমাজ সেবা কর্মকর্তা জনাব তৌফিক আহমেদ জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া দিন আছে সুস্থ তদন্তের ভিত্তিতে আসামিদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এলাকাবাসীর একটাই অভিমত প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষিকাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি দাবি বাস্তবায়ন করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা