আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে জয়ের সুযোগ তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ড্র মেনে নিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
ম্যাচের শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল চার উইকেট তুলে নেওয়া; অন্যদিকে আফগানিস্তানের সামনে ছিল লক্ষ্য থেকে দূরত্ব কমিয়ে ম্যাচ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ। শেষ পর্যন্ত আফগান ব্যাটারদের প্রতিরোধে ম্যাচটি ড্র হয়।
ম্যাচে বাংলাদেশ ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই ভালো অবস্থান তৈরি করেছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে লিটন দাসের সেঞ্চুরি এবং মেহেদী হাসান মিরাজের গুরুত্বপূর্ণ রান বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা করে। বাংলাদেশ ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দেওয়ার পর আফগানিস্তানকে চাপে রাখার সুযোগও তৈরি হয়েছিল। তবে টেস্ট ক্রিকেটে বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা দীর্ঘ সময় উইকেটে টিকে থাকতে পারলে ফল বদলে যেতে পারে। শেষ দিনে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় উইকেটগুলো তুলতে না পারায় জয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ম্যাচের ফল নিয়ে হতাশা থাকলেও দলের ব্যাটিংয়ের কিছু ইতিবাচক দিক এবং লিটন দাসের ব্যক্তিগত রেকর্ড আলোচনায় এসেছে।
বাংলাদেশের জন্য এ ম্যাচের বড় শিক্ষা হলো, ভালো অবস্থান তৈরি করার পাশাপাশি শেষ পর্যন্ত চাপ ধরে রাখা জরুরি। ভবিষ্যৎ টেস্টে জয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে বোলিং পরিকল্পনা, ফিল্ডিংয়ের ধারাবাহিকতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।