কক্সবাজারের ইনানী এলাকার একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০ জনের মৃত্যুর পর তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগুনের ঘটনায় একাধিক পরিবারের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ঘটনার পর রিসোর্টের মালিক ও ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবরও এসেছে।
রিসোর্টটিতে আগুন লাগার ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা, অনুমোদন এবং জরুরি বহির্গমন পথের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যটনকেন্দ্রের আবাসন স্থাপনাগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম, অগ্নিসংকেত ব্যবস্থা, জরুরি নির্গমনপথ এবং নিয়মিত নিরাপত্তা পরিদর্শন থাকা অত্যন্ত জরুরি।
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা গেলে তাঁদের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে। একই সঙ্গে আগুনের সূত্রপাত, ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি যথাযথ ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
কক্সবাজার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা। পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলোর অনুমোদন, অগ্নিনিরাপত্তা এবং জরুরি প্রস্তুতি নিয়মিত যাচাই করা দরকার। দুর্ঘটনার পর তদন্তের পাশাপাশি ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।