বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১ হাজার ৩৭৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে ২১ অক্টোবর প্রকাশিত যুগান্তরের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ডেঙ্গু মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, বমি বমি ভাব কিংবা ত্বকে র্যাশ দেখা দিতে পারে। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্টের মতো বিপৎসংকেত দেখা দিতে পারে, যা দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন নির্দেশ করে।
বর্ষা শেষ হওয়ার পরও ডেঙ্গুর ঝুঁকি থাকতে পারে। বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ার ও অন্যান্য জায়গায় জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই শুধু মশার কামড় এড়ানো নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাও প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ, পানির পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার, মশারি ব্যবহার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করা জরুরি। জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত; বিশেষ করে বিপৎসংকেত দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে যেতে হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র বুঝতে প্রতিদিনের মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়াও মোট আক্রান্ত, হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়া রোগী, বিভাগভিত্তিক পরিস্থিতি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য দেখা প্রয়োজন।