সুন্দরবনের আশপাশে পর্যটনকেন্দ্র ও রিসোর্ট গড়ে ওঠার প্রবণতা পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় রিসোর্টের বিস্তার ও নজরদারির সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে।
সুন্দরবন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ অঞ্চল। এর আশপাশে পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পরিবেশগত ছাড়পত্র, ভূমির ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলের ওপর প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন। অপরিকল্পিত নির্মাণ ও পর্যটকের চাপ স্থানীয় পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
পর্যটন স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে উন্নয়নকে পরিবেশ সংরক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে হবে। অনুমোদনহীন স্থাপনা থাকলে সেগুলোর আইনগত অবস্থা যাচাই, পরিবেশগত ঝুঁকি নিরূপণ এবং বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
সুন্দরবনের সুরক্ষা শুধু বন বিভাগের একক দায়িত্ব নয়। স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, পর্যটন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। পর্যটনকেন্দ্রগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানির ব্যবহার ও নির্মাণ কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হলে পরিবেশের ক্ষতি কমানো সম্ভব।