বাংলাদেশে উৎপাদিত ক্যানসারসহ জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিদেশে পাচারের অভিযোগে চীনা এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের একটি দল।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুরিয়ার সেবার মাধ্যমে লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে ওষুধ পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
ওষুধের আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় আইনগত অনুমোদন, রপ্তানি নথিপত্র, শুল্ক পরিশোধ এবং পণ্যের সঠিক বিবরণ গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রক্রিয়া এড়িয়ে পণ্য পাঠানো হলে রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি ওষুধের উৎস, সংরক্ষণ ও গন্তব্য যাচাই করাও কঠিন হয়ে পড়ে।
তদন্তে অভিযোগগুলোর প্রকৃতি, কত পরিমাণ ওষুধ পাঠানো হয়েছে, কীভাবে চালানগুলো প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা অবশ্যই তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
ওষুধ রপ্তানি ও কুরিয়ার ব্যবস্থায় নজরদারি জোরদার করা গেলে অবৈধ চালান শনাক্ত করা সহজ হতে পারে। পাশাপাশি বৈধ রপ্তানিকারকদের জন্য নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।