শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ১৬টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নৌদুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং নৌযান চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখাই এসব নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।
নির্দেশনায় ফিটনেসবিহীন লঞ্চ, নৌযান ও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধারকারী জাহাজ প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে। রাতে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা এবং দিনের বেলায় স্পিডবোটে যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার সতর্কবার্তা অনুসরণ করে নৌযান পরিচালনার নির্দেশও রয়েছে।
যাত্রী ওঠানামার ক্ষেত্রে নির্ধারিত টার্মিনাল ও পন্টুন ব্যবহার করতে হবে। নদীর মাঝপথে লঞ্চের সঙ্গে ছোট নৌকা বা ট্রলারের মাধ্যমে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নৌযানে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
নিরাপদ যাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার, টার্মিনালের প্রবেশপথে রুট ও পন্টুনের তথ্য প্রদর্শন এবং অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণের কথাও বলা হয়েছে। নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের সুবিধার জন্য পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা, মোবাইল ফোন চার্জিং এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা উন্নত করার নির্দেশনা রয়েছে।
জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য নৌযানে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, ফায়ার সার্ভিস ১০২, বিআইডব্লিউটিএর যাত্রীসেবা ১৬১১৩ এবং কোস্ট গার্ড ১৬১১১ নম্বর প্রদর্শনের কথাও বলা হয়েছে। নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে উৎসবের সময়ে নৌপথে দুর্ঘটনা ও যাত্রীভোগান্তি কমাতে সহায়তা করতে পারে।