দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশের আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় তাপমাত্রা কমে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।
আজ শুক্রবার আবহাওয়াবিদ তারিফুল নেওয়াজ কবির সংবাদ মাধ্যমে জানান, বর্তমান আবহাওয়াব্যবস্থার প্রভাব কেটে গেলে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। এর প্রভাব ঢাকা শহরেও অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমেছে। রাজারহাট ও দিনাজপুরে তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রির মধ্যে ছিল। রাজশাহী ও ঈশ্বরদীতেও তাপমাত্রা কমার প্রবণতা দেখা গেছে। তবে এসব এলাকার তাপমাত্রা ও দেশের অন্য অঞ্চলের আবহাওয়ার মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে; তাই উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতিকে পুরো দেশের বর্তমান তাপমাত্রার প্রতিফলন হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
এদিকে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন। এটি শনিবারের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং পরে আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শুক্রবার প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ আবহাওয়াব্যবস্থা বাংলাদেশের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলেনি।
আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবরের পর উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। লঘুচাপের অবস্থান ও শক্তি পরিবর্তিত হলে এই পূর্বাভাসও বদলাতে পারে।
তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের, বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক মানুষ ও শীতের প্রতি সংবেদনশীল ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। তবে এখনই দেশজুড়ে তীব্র শীত শুরু হচ্ছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় আসেনি। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তাপমাত্রার প্রকৃত প্রবণতা এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী বুলেটিন পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট করবে।