বঙ্গোপসাগরের পূর্ব-মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব অংশে সৃষ্ট লঘুচাপটি শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় উপকূলীয় এলাকার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে গুরুত্ব দিচ্ছে আবহাওয়া বিভাগ।
আজ শুক্রবার প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপটি শনিবার নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে ২৫ অক্টোবরের পর উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শুক্রবার পর্যন্ত আবহাওয়াব্যবস্থাটি বাংলাদেশে সরাসরি প্রভাব ফেলেনি বলে আবহাওয়াবিদদের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
লঘুচাপের অবস্থান ও গতিপথের পরিবর্তন সমুদ্রের বাতাস, ঢেউ এবং উপকূলীয় বৃষ্টিপাতকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই মাছ ধরার ট্রলার, ছোট নৌযান এবং সমুদ্রনির্ভর জীবিকার সঙ্গে যুক্ত মানুষের জন্য আবহাওয়ার হালনাগাদ তথ্য জানা জরুরি। সমুদ্রে যাওয়ার আগে সামুদ্রিক সতর্কবার্তা, বাতাসের গতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।
লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপ তৈরি হওয়া একটি আবহাওয়াগত প্রক্রিয়া; এটি নিজে থেকেই ঘূর্ণিঝড়ের নিশ্চয়তা দেয় না। পরবর্তী সময়ে এর শক্তি কতটা বাড়ে, কোন দিকে অগ্রসর হয় এবং স্থলভাগে কী প্রভাব ফেলে—এসব বিষয় পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই সতর্কতার মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তাই সম্ভাব্য বৃষ্টির খবরকে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস হিসেবে প্রচার করা সঠিক হবে না।
দেশের অন্য এলাকায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলে আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন। তবে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে নতুন বুলেটিনে তা জানানো হবে। উপকূলীয় বাসিন্দা, জেলে ও নৌযান পরিচালনাকারীদের নিয়মিত সরকারি আবহাওয়া বার্তা অনুসরণ করা উচিত।