সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য অব্যাহত রয়েছে।
একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী বিশেষ সংসদীয় কমিটিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং প্রক্রিয়াটিকে অসাংবিধানিক ও বেআইনি বলে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে, বিএনপি বিরোধী দলগুলোকে কমিটিতে যোগ দিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব পর্যালোচনায় গঠিত বিশেষ কমিটি সংসদীয় কাঠামো ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করছে। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠিত হলে উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের একটি প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। তবে কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রতিবেদনে বলেছেন, সরকারি দল সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব থাকতে পারে। একই সঙ্গে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ও গণভোটে জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান দেখানো হচ্ছে কি না, সে প্রশ্নও তিনি তুলেছেন।
সংবিধান সংশোধনের মতো মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ, যুক্তি-তর্ক এবং জনমতের প্রতিফলন গুরুত্বপূর্ণ। কমিটির আলোচনায় মতভিন্নতা থাকলেও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও সংসদীয় বিতর্কের মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজা যেতে পারে।