ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনে কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট।
গতকাল ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারকে সতর্ক করেন।
তাঁর বক্তব্য ছিল, নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে তা রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে।
ঢাকায় বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জোটের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অভিযোগ করেন, উপনির্বাচনে কারচুপির প্রস্তুতি চলছে। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ; প্রতিবেদনে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
বৈঠকে জোটের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস ও সারের সংকট মোকাবিলা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিও তুলে ধরা হয়। প্রশাসনের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন হামিদুর রহমান আজাদ। এসব অভিযোগের জবাব বা সরকারের বক্তব্য প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে পাওয়া যায়নি।
একই সংবাদে ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়ামুখী জোটের কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছে। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে সমাবেশের পর যানবহর নিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ রাখার কথা বলা হয়েছে।
নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার পরিবেশ, নির্বাচনী আচরণবিধির প্রয়োগ এবং অভিযোগ তদন্তের নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও জনসমক্ষে থাকা প্রয়োজন, যাতে ভোটের আগে বিভ্রান্তি ও অনাস্থা না বাড়ে।