প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ডেকে পাঠানোর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
আজ ২৪ অক্টোবর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রদূতকে মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপান সফর করবেন। সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে।
রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ডেকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রদূতকে সদর দপ্তরে ডাকা নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে এবং বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও উন্নয়ন অংশীদারত্ব হিসেবে তুলে ধরেন। অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি, তৈরি পোশাক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরে নতুন জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এ সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কূটনৈতিক সফরের আগে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ডেকে পাঠানোর ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বক্তব্যের বাইরে এর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য নেই। তাই সিদ্ধান্তটির পেছনে কোনো বিরোধ, অসন্তোষ বা কূটনৈতিক জটিলতা রয়েছে—এমন দাবি প্রমাণ ছাড়া করা ঠিক হবে না।
প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রাধিকার হচ্ছে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং চলমান সহযোগিতার প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়া। সফর শেষে দুই দেশের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ও সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হলে আলোচনার প্রকৃত অগ্রগতি মূল্যায়ন করা যাবে।