October 24, 2026, 5:09 pm
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় তলব বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সংঘর্ষ ঠেকাতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক আলোচনার প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার টাইফুন চাম্পির আশঙ্কায় প্রায় পুরো তাইওয়ানে স্থবিরতা, শত শত ফ্লাইট বাতিল সাজেকে অবরোধ ঘিরে গুলিবিনিময়, আটকে পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় কুমিল্লায় স্কুলছাত্রকে হত্যার অভিযোগ, চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গাজীপুরে বাড়িতে আগুনে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ, দুই শিশুসহ হাসপাতালে ভর্তি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের প্রস্তুতিতে কূটনৈতিক দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, টোকিওতে পাঠানো হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা

জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপান সফর করবেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সফরের দ্বিতীয় দিন, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও জোরদার করা, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয় গুরুত্ব পাবে।

পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ২০ অক্টোবর ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা চলছে। সফরকালে এসব সমঝোতার কতগুলো চূড়ান্ত হবে, তা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বাংলাদেশের জন্য জাপান দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী। অবকাঠামো, পরিবহন, জ্বালানি ও শিল্প খাতে জাপানি সহযোগিতা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নতুন বিনিয়োগ এলে তা উৎপাদন, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তবে বিনিয়োগের ঘোষণাকে বাস্তব অর্থপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করার আগে প্রকল্প, অর্থায়নের শর্ত, সময়সীমা ও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানা জরুরি।

সফরসঙ্গী হিসেবে অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনাসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তি অর্থনৈতিক আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরে। সফরের ফলাফল মূল্যায়নে শুধু সমঝোতা স্মারকের সংখ্যা নয়, বরং কোন প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে, কত বিনিয়োগ আসছে এবং বাংলাদেশের শিল্প ও কর্মসংস্থানে কী প্রভাব পড়ছে—সেদিকেও নজর দিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা