September 26, 2026, 2:46 am
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে ক্যাথলিক চার্চে ভাঙচুর, পুকুর থেকে মা মারিয়ার মূর্তি উদ্ধার; যুবক গ্রেপ্তার চাঁদপুরে নদীতে নিখোঁজ যুবকের পরিচয় সনাক্ত, উদ্ধার হয়নি রবিন : স্বামীর সন্ধানে ঘাটে স্ত্রী, লঞ্চসহ আটক ২ বিনয়বাঁশী জলদাসের ১১৫তম জন্মদিবস উপলক্ষে চূড়ান্ত প্রস্তুতি ও দায়িত্ব বণ্টন সভা হাজীগঞ্জে প্রবীণকে মারধর-হেনস্তা: মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ মালয়েশিয়ায় রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের দুই শিক্ষার্থী স্বর্ণপদক অর্জন শুধু ভালো ফলাফল নয়, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে উঠতে হবে : বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাড. বোরহান উদ্দিন কোরআনে হাফেজ হলেই কি জান্নাত নিশ্চিত ; কোরআনের আলোকে পর্যালোচনা! চাঁদপুরে নিখোঁজ স্কুলছাত্র বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে উদ্ধার বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, মোংলা থেকে ৭২০ কিলোমিটার দূরে মতলবে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ৫ পরিবারের বসতঘর, আহত ২

সূর্যমুখীর হাসিতে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন মতলব উত্তরের চাষি জসীম উদ্দিন

মমিনুল ইসলাম:

মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌর এলাকার দেওয়ানজিকান্দি গ্রামে সূর্যমুখীর হলুদ হাসিতে ভরে উঠেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। বাম্পার ফলনের আশায় অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার স্বপ্ন দেখছেন চাষি জসীম উদ্দিন। অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে দূর–দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন এই ফুলের বাগান দেখতে ও ছবি তুলতে।

জানা গেছে, জসীম উদ্দিন ৩২ শতাংশ জমিতে চতুর্থবারের মতো বারি সূর্যমুখীর-৩ জাতের সূর্যমুখী চাষ করেছেন। মতলব উত্তর কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশীয় ঘানি ব্যবহার করলে পরিপক্ব সূর্যমুখীর বীজ থেকে সহজেই তেল উৎপাদন করা যায়, যা বাজারে ভালো দামে বিক্রি হয়। জসীম উদ্দিন ছাড়াও উপজেলার কয়েকটি এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষ হচ্ছে।

চাষি জসীম উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় সূর্যমুখী চাষ করেছি। গত দুই বছরও করেছি প্রথমবার লাভ হয়েছিল, দ্বিতীয়বার প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি হয়েছে। তৃতীয়বার লোকজন ছবি তুলতে এসে অনেক ফুল নষ্ট করেছে। যেসব ফুল থেকে তেল হবে না, সেগুলো ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বাজারে বিক্রি করব। আশা করছি এ বছর ভালো লাভ হবে। সামনে চাষ আরও বাড়াতে চাই।

ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের রাফিয়া খানম বলেন, প্রকৃতির ঘ্রাণ নিতে বান্ধবীদের নিয়ে এখানে এসেছি। ফুলের গন্ধে মন নেচে উঠছে।

দর্শনার্থী হুমায়ারা, আলো আক্তার, নুসরাত জাহান ও মরিয়ম আক্তার বলেন, ঘরবন্দি জীবন থেকে একটু মুক্ত হাওয়ায় বেড়াতে এসে এত সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে খুব ভালো লাগছে। সবাই মিলে ছবি তুলছি।

শিক্ষার্থী বেনজির হাসান বলেন, একসঙ্গে এত সূর্যমুখী ফুল দেখা সত্যিই দারুণ অনুভূতি। বাসায় ছোট বাগান করা যায়, কিন্তু এমন ফুলের ক্ষেত সচরাচর দেখা যায় না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, উৎপাদন বাড়াতে উপজেলার অন্যান্য এলাকাতেও সূর্যমুখী চাষ সম্প্রসারণে বীজ, সার ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হবে। অন্য তেলের তুলনায় সূর্যমুখীর চাহিদা বেশি, তাই কৃষকদের এ ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা