রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বঙ্গভবনে এটি ছিল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাঁকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং অধিবেশনের সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘ মহাসচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিষয়ও তিনি তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বাংলায় ভাষণ দেন। সফরকালে তিনি বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও সাইড ইভেন্টেও অংশ নেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তিনি ভাষণটিকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ভাষণটিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণেও ভূমিকা রেখেছে।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন এবং ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন।