কী.. একতরফা ভালবাসার বাড়াবাড়িই না ছিল!
বার বার ফিরিয়ে দেওয়ার পরেও
তুমি দুয়ার থেকে; আজও দুয়ারেই।
অবশ্য; ঘরে আসার দুঃসাহস কখনোই ছিল না।
শুধুই বন্ধুত্বের অঙ্গীকৃত একটা ফুলের তৃষ্ণা।
ঠিক যেন পৌরাণিক ‘চাঁদ সওদাগর’ থেকে দেবীত্বের
স্বীকৃতিতে নাগদেবী মনসার আক্রোশ তীব্র থেকে তীব্রতর,
শুধুই একটা পুজোর ফুলের আশায়।
সারাদিনের ব্যস্ততা উপেক্ষা করেও,
অবহেলা ক্লান্তি বিষন্নতার সঙ্গী হয়ে
দিনের সাথে রাতের, রাতের সাথে দিনের পথে পথে।
মনের মাধুরি মিশিয়ে কথাগুলোকে সাজাতো
কবিতা ও ছন্দের হাজারো উপমা অলংকারে,
যেন বিছানো থাকতো রাশি রাশি হৃদয়ের ফুল।
যদি বা ভুল করে চলে আসে,তাঁর কাঙ্খিত মানুষটি।
অবশেষে, দিনের পর দিন প্রতীক্ষিত চোখ দুটির;
অজানা যন্ত্রণার ভাষা ছিল, শুধুই উন্মাদের প্রলাপ।
বোধ করি,কাঙ্ক্ষিত আকাঙ্ক্ষার,আকাঙ্ক্ষা কতটা তীব্র
হলেই দেবী মনসা,অকূল পাথারে ভাসাতে পেরেছিল
আর ভেসেও ছিল,বেহুলা ও লক্ষিন্দর।
তবে, এখানে দেবী মনসার বাড়াবাড়ির সীমানা ছোঁয়ার
আগেই,যে ফুলকে অবলীলায় প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল,
সেই ফুলটাকেই এখন খুঁজে ফেরে, সওদাগরের হৃদয়।
চাঁদ সওদাগর তাই,আরাধ্য ‘মহাদেব’ কে আরাধ্য রেখেই
দেবী মনসাকে দিতে চায়, সেই…ফুল।
শুধরাতে মরিয়া; ফেলে আসা সমস্ত ভুল।
রচিত-২৪শে এপ্রিল ২০২৩ নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।