শিক্ষা আছে, ডিগ্রি আছে,আচরণে কালো।
মুখে মিঠা, মনে নষ্ট,চোখে দেখি চালো।
বই পড়ে বড় হয়েছে, ডিগ্রির শেষ নাই,
তবু তার মন খারাপ রে ভাই, মায়া কইও নাই।
সবাই বলে, ভাল মানুষ,ভিতরটা তার চোরা।
বন্ধুর পিঠে মারে ছুরি,সঙ্গে রাখে খোড়া।
পরের ক্ষতি দেখলেই সে, হয় খুশিতে ভরা,
সত্য কথা শুনতে গিয়ে, বাঁকা চোখে ধরা।
নামাজ পড়ে, ভক্ত বেশে ঘুরে বেড়ায় গাঁয়ে।
কিন্তু ভাইরে, মিথ্যা ব’লে নষ্ট করে ছায়ে।
সত্য কথা পছন্দ করেনা সে কভু মোটে,
নিজে ভালো, অন্য খারাপ এই ভাবনায় বটে।
মিথ্যা কথা রটায় কানে, হাসে আবার পাশে,
শয়তানেরও লজ্জা লাগে, এমন মুখোশ হাঁসে!
মিথ্যা বলে, প্যাঁচে ফেলে,যারে পায় সে ঠকায়,
সত্য জানলে পরে, গাঁয়ের মানুষ তারেই গান গায়।
মিথ্যা বলে চালিয়ে যায়, বলে “আমি সোজা”,
কিন্তু সময় যখন আসবে রে ভাই,সত্যই করবে বাজা।
ভেবে না সে,একদিন তার ঠিক উঠে যাবে মুখোশ,
সবার চোখে ধরা পড়বে তার জীবনের দোষ।
ভেবে না সে, মানুষ একদিন চিনে নিবে ঠিক,
কে যে সত্য, কে যে মিথ্যে, ফাঁস হবে সে ফি্ক।
গায়ের রঙে মানুষ হয় না,মুখের কথা দিয়ে নয়,
যার মনে নেই সোজা পথ, সে যে জীবন ক্ষয়।
“মিথ্যা দিয়ে নাম হয় না, সত্য দিয়ে মান,
জীবন চলার সহজ পথে, ওটাই আসল জ্ঞান।”
তোমাদের মতো মানুষ যত,তোমরাই সমাজেরই ঘা,
তোমাদের চেয়ে শেয়াল ভাল, বনের রাখে সা!”
সত্য চাপা যায় না কভু, উঠবেই একদিন,
মিথ্যার বস্তা ফেটে যাবে, জ্বলবে তোমার চিন।
যতই করো ঢাক-ঢোল পেটাও, মুখোশ লুকাও মুখে,
সত্য একদিন আলো হবেই, মিথ্যে যাবে ধুঁকে।
সব সময়ই চায় ওরা, দাগ লাগাতে গায়,
আমি তবু চুপচাপ থাকি, নিজের পথে যাই।
একদিন সব চোখে পড়বে, খুলে যাবে মুখ,
তখন ওরা লজ্জায় কাঁদবে, হারিয়ে যাবে সুখ।
কবি তখন ঠাণ্ডা হয়ে, দেখে সবার খেলা,
হাসতে হাসতে বলে রে ভাই, তোমরা নরকের মেলা!
কবি তোমায় ভয় পায় না, কবি বলে জোর,
“সত্য পথে হাঁটলেই ভাই,নাইরে ভয় কিছুর!”
যারা ছড়ায় মিথ্যা কথা, গায় তারা হার মানা,
শেষ বাঁশি ঠিক বাজবে,সে “মিথ্যার বাজনা”।
রচনাকাল : ১৬-১৭ /০৫/২০২৫ইং