October 16, 2026, 10:03 pm
শিরোনামঃ
ফাইনালে চার রানে হার, ত্রিদেশীয় সিরিজে রানার্সআপ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল রাজধানীতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উদ্ধার আরও দুটি বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব কাঠামো নিয়ে বিশ্বব্যাংকের আলোচনা ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ পালিত হলো বিশ্ব খাদ্য দিবস খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা সুন্দরবনসংলগ্ন ১৮টি অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে সৌদি আরবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন–উপসাগরীয় সম্মেলন স্থগিত সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা

‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ পালিত হলো বিশ্ব খাদ্য দিবস

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা :

খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টিকর খাবারের প্রাপ্যতা এবং কৃষিতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বানের মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হচ্ছে।

এ বছরের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য—‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি’।

খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ, পুষ্টিকর ও সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা খাবার নিশ্চিত করার বিষয়টি দিবসের আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। কৃষি উৎপাদন বাড়লেও সব মানুষের কাছে পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার পৌঁছানো নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে উঠছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পুষ্টিকর খাবার কেনার সক্ষমতাকে সীমিত করে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রচলিত কৃষিজ্ঞান ও আধুনিক উদ্ভাবনী সমাধানের সমন্বয় ঘটিয়ে পরিবেশের ক্ষতি কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন ও পুষ্টি নিশ্চিত করার সুযোগ রয়েছে। উন্নত বীজ, পানি সাশ্রয়ী সেচ, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, ফসলের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং খাদ্য সংরক্ষণের উন্নত পদ্ধতি কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ও বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্যচাহিদা বিবেচনায় উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্য মূল্য, খাদ্যপণ্যের সুষ্ঠু বাজারব্যবস্থা এবং অপচয় কমানো প্রয়োজন। খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দক্ষতা বাড়ানো গেলে কৃষক ও ভোক্তা—উভয়ই উপকৃত হতে পারেন।

বিশ্ব খাদ্য দিবসের তাৎপর্য শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; খাদ্যকে মানুষের মৌলিক প্রয়োজন হিসেবে বিবেচনা করে নীতিনির্ধারণ, কৃষি উদ্ভাবন এবং পুষ্টিসেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারও এর সঙ্গে জড়িত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা