October 16, 2026, 10:03 pm
শিরোনামঃ
ফাইনালে চার রানে হার, ত্রিদেশীয় সিরিজে রানার্সআপ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল রাজধানীতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উদ্ধার আরও দুটি বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব কাঠামো নিয়ে বিশ্বব্যাংকের আলোচনা ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ পালিত হলো বিশ্ব খাদ্য দিবস খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা সুন্দরবনসংলগ্ন ১৮টি অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে সৌদি আরবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন–উপসাগরীয় সম্মেলন স্থগিত সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব কাঠামো নিয়ে বিশ্বব্যাংকের আলোচনা

বিশেষ প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে নতুন অংশীদারিত্ব কাঠামো চুক্তির বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে চুক্তির বিভিন্ন বিষয় চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। মূল নীতিগত বিষয়গুলোতে বড় ধরনের বাধা নেই বলে তিনি জানিয়েছেন।

নতুন অংশীদারিত্ব কাঠামো বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তার ক্ষেত্র নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ ধরনের চুক্তির কার্যকারিতা নির্ভর করে শুধু অর্থায়নের পরিমাণের ওপর নয়; বরং কোন খাতে অর্থ ব্যয় হবে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কতটা স্বচ্ছ থাকবে এবং প্রত্যাশিত সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাবে কি না—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের সামনে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানো, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখার মতো একাধিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা এসব ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে ঋণ ও অনুদানের শর্ত, প্রকল্পের ব্যয়, বাস্তবায়নের সময়সীমা এবং ভবিষ্যৎ আর্থিক দায় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।

অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের সুফল নিশ্চিত করতে প্রকল্প বাছাইয়ে জাতীয় প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া, সরকারি ব্যয়ে জবাবদিহি বজায় রাখা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের ফলাফল নিয়মিত মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। শুধু চুক্তি স্বাক্ষর নয়, বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও সাধারণ মানুষের জীবনে তার প্রভাবই শেষ পর্যন্ত এ উদ্যোগের সাফল্য নির্ধারণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা