আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নারী ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনালকে ঘিরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নিজেদের দলের নয়জন খেলোয়াড় আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে যবিপ্রবি। নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে শেষ পর্যন্ত ফাইনাল ম্যাচ বর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়টির নারী ফুটবল দল।
আজ শনিবার দুই দলের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। প্রথমে দুপুর আড়াইটায় খেলা শুরুর সময় নির্ধারিত থাকলেও পরে তা এগিয়ে সকাল ১০টায় করা হয়। যবিপ্রবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দলে বিভিন্ন জায়গায় খেলা খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠেছিল। এর আগের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যবিপ্রবির অভিযোগ, খেলোয়াড়দের যোগ্যতা ও কাগজপত্রসংক্রান্ত প্রশ্নের সমাধান না করেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ফাইনালে অংশ নেয়। তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে দুই দলের বক্তব্য, আয়োজকদের ব্যাখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফল জানা প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশ ও জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। মাঠে বিরোধ বা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা উচিত। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা, নিরপেক্ষ রেফারিং এবং অংশগ্রহণের যোগ্যতা যাচাইয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখা আয়োজকদের দায়িত্ব।
ফাইনালকে ঘিরে সংঘর্ষের অভিযোগ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, আহত খেলোয়াড়দের চিকিৎসা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।