রাজনৈতিক পরিবর্তনের পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাঁর মতে, শুধু সরকার পরিবর্তন বা রাজনৈতিক সংস্কারের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয়; সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাও জরুরি।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট আয়োজিত শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার উল্লেখ করেন, ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্রের সূচনা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটলেও প্রত্যাশিত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়নি। তাঁর বক্তব্যে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
তিনি বলেন, প্রশাসনে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমিয়ে পেশাদারত্ব নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মতান্ত্রিক ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করার পাশাপাশি সরকারের জবাবদিহি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এ ক্ষেত্রে সংসদকে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা এবং সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে ছায়া মন্ত্রিসভার ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্র পরিচালনায় স্থায়ী ও কার্যকর পরিবর্তন আনতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি প্রশাসনিক দক্ষতা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন—ডেপুটি স্পিকারের বক্তব্যে এই বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।