August 15, 2026, 4:08 am
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

মতলব উত্তরে শিশু অপরণের নামে অপপ্রচার ও নির্দোষ ব্যক্তিকে ফাঁসানোর অভিযোগ

মমিনুল ইসলাম:

মতলব উত্তর উপজেলার ঠেটালিয়া গ্রামে কাইয়ুম (৮) নামে এক শিশুকে অপহরণের নামে অপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

অপহরণের নামে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেও নির্দোষ ব্যক্তিদের ফাঁসানো অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ঠেটালিয়া গ্রামের আপেলের ছেলে কাইয়ুম নিখোঁজ হওয়ার ২৮ ঘন্টা পরে গত ১৬ ফেব্রুয়ারী রবিবার সন্ধ্যায় তারই এক প্রতিবেশী আ. মতিন উত্তর লুধুয়া মসজিদের পাশে দাড়িঁয়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়িতে এনে পিতা মাতার কাছে বুঝিয়ে দেন। এরপর থেকে একদল অসাধু ব্যক্তিদের পরামর্শে কাইয়ুমের মা থানায় গিয়ে কয়েকজনকে সন্দেহ করে মতলব উত্তর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযোগের সন্দেহের তীর কাইয়ুমকে উদ্ধারকারী আ. মতিন ও স্থানীয় বৃদ্ধ সিরাজ মিয়ার দিকে গিয়েছে তারা এ ঘটনায় কোনক্রমেই জড়িত নেই বলে জানান স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে কাইয়ুমের মা বলেন, আসলে আমার ছেলে অপহৃত হয়নি। আমার ছেলে নিজেই আত্মগোপনে ছিল। পরে আ. মতিন তাকে পেয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে। আমার ছেলে নিখোঁজের ব্যাপারে কেউ জড়িত নেই। কিন্তু আমি না বুঝে থানায় অভিযোগ করেছি। এবং ফেসবুকে সাক্ষাতে যা বলেছি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি আমার বুকের বুকে ফিরে পেয়েছি, এখন আর আমার কোন অভিযোগ নেই।

কাইয়ুমের নানা জুলফিকার বলেন, আমার নাতী কাইয়ুম নিখোঁজ হওয়ার পর মতিন তাকে পেয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে। আসলে মতিনের কোন দোষ নেই। এ ঘটনার সাথে কেউ জড়িত আছে বলেও আমার মনে হয় না। কাইয়ুমকে পাওয়ার পর ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী থানায় জিডি করতে বলেছেন তাই থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

এদিকে আ. মতিন বলেন, আমি ব্যক্তিগত কাজে উত্তর লুধুয়া যাই। ওখানে গেলে রবিবার সন্ধ্যায় মসজিদের পাশে কাইয়ুমকে দাড়িয়ে থাকতে দেখে আমি চিনতে পারি। পরে তাকে আমার সাথে করে এনে তার মায়ের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি। এই ঘটনাটিকে একদল কুচক্রি মহল মিথ্যা অহরণ নামে সাজিয়ে আমাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। শুধু তাই নয়, একটি ফেসবুক প্যাজে অকথ্য ভাষায় অপপ্রচার চালিয়ে আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন করেছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই এবং আমার মানহানির বিচার চাই।

একই তথ্য তুলে ধরে সিরাজ মিয়া বলেন, কিছু অসাধু লোক শত্রুতা করে আমাদেরকে এমন একটি মিথ্যা ঘটনায় ফাঁসাতে চেয়েছিল। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন। আমি এর বিচার চাই।

স্থানীয় একাধিক নারী জানান, ফেসবুক প্যাজের লোক আল-আমিন নামে একজন এসে আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় কথা বার্তা বলেছে ও ধমক দিয়েছে। যা সম্পূর্ণ অনধিকার চর্চা। তিনি আমাদের অনুমতি না নিয়ে ঘরে প্রবেশ করেছে এবং ফেসবুকে লাইভ প্রচার করেছে। এতে করে আমাদের মানসম্মান ক্ষতি হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা