যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় দুই আসামির জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত।
আজ শনিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনাইদ নুর মোহাম্মদ ও জাহাঙ্গীর আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে একই মামলায় গ্রেপ্তার আরও পাঁচ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ২৪২টি শূন্য পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। বাছাই পরীক্ষা ১০ অক্টোবর ঢাকা মহানগরীর ৯৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা শুরুর প্রায় ৫৪ মিনিট আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ার তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
এজাহারে বলা হয়েছে, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে অধিদপ্তরে সংরক্ষিত মূল প্রশ্নপত্র মিলিয়ে হুবহু মিল পাওয়া যায়। এরপর নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, সংরক্ষণ, পরিবহন কিংবা বিতরণের কোনো পর্যায়ে যোগসাজশের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস হয়ে থাকতে পারে বলে এজাহারে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আতিকুর রহমান ১১ অক্টোবর মতিঝিল থানায় মামলা করেন। আদালতে আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলেও রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।
সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের আস্থা ও নিয়োগব্যবস্থার স্বচ্ছতার জন্য বড় উদ্বেগ। তবে মামলার অভিযোগ ও সন্দেহকে চূড়ান্ত অপরাধপ্রমাণ হিসেবে দেখা যাবে না। তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই দায় নির্ধারিত হবে।