October 23, 2026, 10:05 pm
শিরোনামঃ
মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সংঘর্ষ ঠেকাতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক আলোচনার প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার টাইফুন চাম্পির আশঙ্কায় প্রায় পুরো তাইওয়ানে স্থবিরতা, শত শত ফ্লাইট বাতিল সাজেকে অবরোধ ঘিরে গুলিবিনিময়, আটকে পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় কুমিল্লায় স্কুলছাত্রকে হত্যার অভিযোগ, চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গাজীপুরে বাড়িতে আগুনে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ, দুই শিশুসহ হাসপাতালে ভর্তি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের প্রস্তুতিতে কূটনৈতিক দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, টোকিওতে পাঠানো হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, ২৭ অক্টোবর তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক জাপানের সঙ্গে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা, প্রধানমন্ত্রীর সফরে আসতে পারে ঘোষণা প্রস্তুতি ম্যাচে কালামের ১৩৫, জিসানের ৮৬—ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ বিসিবি একাদশের

সব অঞ্চল ও মানুষের সমান উন্নয়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর, সংসদে আলোচনার আহ্বান

রংপুর প্রতিনিধি :

দেশের সব অঞ্চলের মানুষের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দুর্গাপূজার মহা নবমীতে রংপুর নগরের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের ধর্মসভা পূজামণ্ডপে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, সরকার দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করতে চায়। দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভেদ পেছনে রেখে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে যারা তাঁর দলকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের পাশাপাশি যারা ভোট দেননি, তাঁদেরও সরকার সমানভাবে বিবেচনা করতে চায়। উন্নয়ন পরিকল্পনায় রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে এগিয়ে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বক্তব্যে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গও আসে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে কারও বক্তব্য বা দাবি থাকলে সংসদে তা উত্থাপন করা উচিত। সংসদে আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে জনগণ ও রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিভিন্ন ধর্ম ও শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরেন। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনে সব ধর্ম ও মতের মানুষের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।

সরকারের এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক বৈষম্য কমানো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় পর্যায়ে অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ হবে। উন্নয়ন বরাদ্দের পাশাপাশি বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটিও মূল্যায়নের বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা