October 23, 2026, 10:06 pm
শিরোনামঃ
মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সংঘর্ষ ঠেকাতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক আলোচনার প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার টাইফুন চাম্পির আশঙ্কায় প্রায় পুরো তাইওয়ানে স্থবিরতা, শত শত ফ্লাইট বাতিল সাজেকে অবরোধ ঘিরে গুলিবিনিময়, আটকে পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় কুমিল্লায় স্কুলছাত্রকে হত্যার অভিযোগ, চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গাজীপুরে বাড়িতে আগুনে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ, দুই শিশুসহ হাসপাতালে ভর্তি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের প্রস্তুতিতে কূটনৈতিক দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, টোকিওতে পাঠানো হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, ২৭ অক্টোবর তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক জাপানের সঙ্গে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা, প্রধানমন্ত্রীর সফরে আসতে পারে ঘোষণা প্রস্তুতি ম্যাচে কালামের ১৩৫, জিসানের ৮৬—ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ বিসিবি একাদশের

সুন্দরবন, মোংলা বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে নতুন প্রত্যাশা

নিজস্ব সংবাদদাতা বাগেরহাট :

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ, বন্দর কার্যক্রম ও শিল্পায়নের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করতে বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সফরসূচিতে রয়েছে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও আশপাশের এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন, মোংলা বন্দরের কার্যক্রম ও জেটি সুবিধা পর্যালোচনা এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকালে তিনি ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে রওনা হন। সুন্দরবন এলাকা আকাশপথে পর্যবেক্ষণের পর খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণের কর্মসূচি ছিল। সেখান থেকে সড়ক ও নৌপথে বাগেরহাটের মোংলার দিকে যাওয়ার কথা।

মোংলা বন্দরের উন্নয়ন দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বন্দরের পরিচালন সক্ষমতা, পণ্য ওঠানো-নামানোর সুবিধা, নাব্যতা এবং সড়ক-রেল যোগাযোগ উন্নত হলে আমদানি-রপ্তানির ব্যয় কমানো ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়লে স্থানীয় কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও তৈরি হবে। তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ, নদী ও বন্দর চ্যানেলের নাব্যতা, কার্যকর পরিবহনব্যবস্থা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। সুন্দরবনের সংবেদনশীল প্রতিবেশের কারণে উন্নয়ন কার্যক্রমে পরিবেশ সুরক্ষাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর নির্দেশনা আসবে। তবে সফর শেষে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কোন প্রকল্পে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা সরকারি ঘোষণা বা পরবর্তী প্রতিবেদন দিয়ে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা