দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ, বন্দর কার্যক্রম ও শিল্পায়নের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করতে বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সফরসূচিতে রয়েছে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও আশপাশের এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন, মোংলা বন্দরের কার্যক্রম ও জেটি সুবিধা পর্যালোচনা এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকালে তিনি ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে রওনা হন। সুন্দরবন এলাকা আকাশপথে পর্যবেক্ষণের পর খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণের কর্মসূচি ছিল। সেখান থেকে সড়ক ও নৌপথে বাগেরহাটের মোংলার দিকে যাওয়ার কথা।
মোংলা বন্দরের উন্নয়ন দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বন্দরের পরিচালন সক্ষমতা, পণ্য ওঠানো-নামানোর সুবিধা, নাব্যতা এবং সড়ক-রেল যোগাযোগ উন্নত হলে আমদানি-রপ্তানির ব্যয় কমানো ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়লে স্থানীয় কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাও তৈরি হবে। তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ, নদী ও বন্দর চ্যানেলের নাব্যতা, কার্যকর পরিবহনব্যবস্থা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। সুন্দরবনের সংবেদনশীল প্রতিবেশের কারণে উন্নয়ন কার্যক্রমে পরিবেশ সুরক্ষাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর নির্দেশনা আসবে। তবে সফর শেষে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কোন প্রকল্পে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা সরকারি ঘোষণা বা পরবর্তী প্রতিবেদন দিয়ে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।