দেশে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ প্রকাশিত হিসাবে, এক দিনে নতুন করে ২ হাজার ১৬৭ জন আক্রান্ত হওয়ায় বছরের মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪২ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩০৭-এ।
বর্ষা-পরবর্তী সময়েও সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। বৃষ্টি কমে গেলে ডিসেম্বরের দিকে আক্রান্তের সংখ্যা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রোগীর প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে হাসপাতালগুলোর সঠিক তথ্য সরবরাহ এবং রোগ শনাক্তের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু কীটনাশক ছিটানো যথেষ্ট নয়; মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করে ধ্বংস করা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল নির্মূল ও রোগীর তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি, নির্মাণাধীন ভবন, ছাদ ও পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নাগরিকদেরও নিতে হবে।
স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম চালু রাখা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।