October 20, 2026, 12:42 am
শিরোনামঃ
আল-কোরআনের আলোকে : আল্লাহর সঙ্গে করা পাপ বা গুনাহের শাস্তি কি মানুষ দিতে পারে? কবিতা, প্রেম ও জীবনের দর্শন ; ‎কবি রবি ডাকুয়ার ভাবনায় মানুষের হৃদয়, অনুভূতি ও জীবনের বহুমাত্রিকতা মৎস্য চাষের ট্রেড লাইসেন্সের আড়ালে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের অভিযোগ চট্টগ্রামে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শিগগির চালু হচ্ছে ফুড ল্যাবরেটরি সাতক্ষীরার দুই গ্রামে লবণাক্ততা দূর করে সুপেয় পানি সরবরাহ শুরু দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে প্রচারযন্ত্র চালু ও অস্ত্র মোতায়েনের হুমকি উত্তর কোরিয়ার ফ্রান্সে দাঙ্গা ও লুটপাট ঠেকাতে নির্দিষ্ট এলাকায় কারফিউয়ের উদ্যোগ নয় মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৭৩ জন নিহতের তথ্য মানবাধিকার সংস্থার অন্যের পাপ নিয়ে ব্যস্ত হওয়ার আগে নিজের হিসাব করা জরুরি সৌদি আরবে ২ নাগরিকের মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ

হুতিদের সঙ্গে সংঘাত বাড়ায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত মিসর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে মিসর।

আজ রোববার মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সভাপতিত্বে জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের বৈঠকের পর এ অবস্থান জানানো হয়। সৌদি আরবের অনুরোধ এলে সামরিক সহায়তার অনুমোদন পেতে সংসদের জরুরি অধিবেশন আহ্বানের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকোর স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বাহিনীর সঙ্গে হুতিদের সংঘর্ষ নতুন করে তীব্র হওয়ায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

মিসরের প্রেসিডেন্সির বিবৃতিতে সৌদি আরবের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, সম্পদ ও পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষায় সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার কথা বলা হয়েছে। তবে কী ধরনের সামরিক সহায়তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা সোমবারও চলতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

সৌদি আরব ও মিসরের মধ্যে দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তেলের বাজার, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল এবং বাণিজ্যিক সরবরাহব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করে।

সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি কূটনৈতিক যোগাযোগ ও উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা