October 25, 2026, 2:45 pm
শিরোনামঃ
ভানুয়াতুর কাছে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, নজর ভূকম্পন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেল টাইফুন চাম্পি, নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের সতর্কবার্তা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় তলব বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সংঘর্ষ ঠেকাতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক আলোচনার প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার টাইফুন চাম্পির আশঙ্কায় প্রায় পুরো তাইওয়ানে স্থবিরতা, শত শত ফ্লাইট বাতিল সাজেকে অবরোধ ঘিরে গুলিবিনিময়, আটকে পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ মানতে নারাজ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর!

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা :
গুলশানে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন। 15-9-24

গতকাল রোববার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এই সময় তিনি তাদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময় বলেন, দেশের রাজনীতি অঙ্গণে আলোচিত ও বহু চর্চিত ধারণা হচ্ছে, দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আচরণগত দিক থেকে একই। এই দুই দল মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

তবে তিনি বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে একই বাটখারায় মাপতে নারাজ। তাঁর মতে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ-এটি একটা পরিকল্পিত প্রচারণা, অপপ্রচার। এটা করেই তারা যারা দুষ্টু, যারা ফায়দা লুটতে চায়। বিএনপি আর আওয়ামী লীগের তুলনা হতেই পারে না। কারণ, আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক দল নয়, গণতন্ত্রবিরোধী, গণতন্ত্র হত্যাকারী একটা দল। আর বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রকে জীবন্ত করার দল।

এ সময় সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনকেও গুরুত্ব দেওয়া দরকার কি না-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার। সংস্কার কমিশনও করা হয়েছে। আমার তো মনে হয়, এটা দুই মাসও লাগার কথা না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলছি, নির্বাচনকেন্দ্রিক যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন, অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের কথাই আমরা বলেছি। অন্যান্য সংস্কারগুলো যে সরকার আসবে, সময়মতো করবে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কী? আমরা ফ্যাসিবাদকে সরিয়েছি, হাসিনাকে সরিয়েছি। এখন একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আছে, যে সরকার অতিদ্রুত আমাদের সবার মতামত নিয়ে একটি সংস্কারের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে যাবে। যে নির্বাচনটা অবাধ-নিরপেক্ষ হবে, জনগণের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। সেখানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। আমি একটু খোলামেলা বলছি, অনেক সময় দেখা যায় যে অত্যন্ত দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলেরা এমন এমন কথা বলেছেন যে তা সামগ্রিক ঐক্যের জন্য উপযোগী নয়। এটা একটা সমস্যা। আরেকটা সমস্যা হচ্ছে, এই প্রশাসন এখন পর্যন্ত ফ্যাসিবাদমুক্ত হতে পারেনি। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, ফ্যাসিবাদ এত গভীরে চলে গিয়েছিল যে সেখান থেকে এখন ফ্যাসিবাদবিরোধী লোকজনকেও খুঁজে বের করা কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের সবচেয়ে যেটা প্রয়োজন যে, ঐক্য অটুট রাখা, ধৈর্য রাখা, এই সরকারের সমস্ত কাজকে সমর্থন দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল মঈন খান ও সালাউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা