May 15, 2026, 11:14 am
শিরোনামঃ
সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলার প্রশ্নে সবসময় আপসহীন ছিলেন, জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ মতলব উত্তর, ডিজিএমকে খোলা চিঠি প্রকৌশলীর মতলব উত্তরে মামলাবাজ বেদে পরিবারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ; মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী মতলব উত্তরে বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু মোংলায় ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে মাঝি নিখোঁজ মতলবে কৃষকদের নিয়ে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ; আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ চিরকুট লিখে বাড়ি থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্র একদিন পর ঢাকা থেকে উদ্ধার, পরিবারে স্বস্তি ইসলামের হেফাজতকারী কে—মানুষ নয়, বরং মহান আল্লাহ? জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের সেনাজীবনে শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও কর্তব্যবোধের দীপ্ত সূচনা! অঙ্গীকার বন্ধু সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ অনুমোদন ; সভাপতি সরকার তৌহিদ, সম্পাদক শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈকত

মতলব উত্তরে বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় বোরো মৌসুমে সরকারি মূল্যে ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষক ও মিলারদের কাছ থেকে ধান-চাল সংগ্রহ করবে খাদ্য বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার ঘনিয়ারপাড়ে অবস্থিত খাদ্যগুদাম চত্বরে উপজেলা খাদ্য বিভাগের আয়োজনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলার তালতলী গ্রামের কৃষক মজিব মিয়ার কাছ থেকে ৩ টন ধান ক্রয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন, খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা মো. ওছমান গনি, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি খায়রুল হাসান বেনুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে ধান ক্রয় কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা এবং চাল ৪৯ টাকা দরে সংগ্রহ করা হবে। এ মৌসুমে মতলব উত্তর উপজেলায় মোট ৯২৩ টন ধান ও ৩৮ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ সংগ্রহ অভিযান চলবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক কৃষক এখনও মোবাইল অ্যাপস ব্যবহারে অভ্যস্ত নন। এজন্য কেউ অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন বা ধান বিক্রি করতে না পারলে কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র নিয়ে সরাসরি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করতে পারবেন। এতে প্রকৃত কৃষকেরা সহজেই সরকারি সুবিধার আওতায় আসতে পারবেন।

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হলে তারা উৎপাদন খরচের তুলনায় কিছুটা হলেও লাভবান হবেন। তবে তারা দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে ধান গ্রহণের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা