July 22, 2026, 9:07 pm
শিরোনামঃ
মতলব উত্তরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাবার দেওয়া মাদক মামলার পর মানসিক চাপে যুবকের আত্মহত্যা? ছেংগারচরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৪৩ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তার চাল বিতরণ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা পাইকুরাটিতে মামাশ্বশুরের সাথে পরকীয়া অভিযুক্ত তিন সন্তানের জননী প্রবাসী ছেলের জন্য ওষুধ পাঠিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না মায়ের প্রবাসী স্বামীকে রেখে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ের অভিযোগ, সাভার থেকে উদ্ধার তরুণী সুন্দরবনে ৩০ কেজি হরিণের মাংসসহ পাচারকারী আটক জমি বিরোধে মতলব উত্তরে মসজিদের প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া, ক্ষোভ মুসল্লিদের কোটচাঁদপুর সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভবন ভাঙার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু স্পেনের বিজয়ের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো বিশ্বকাপ মিশন-২০২৬

মতলব উত্তরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Reporter Name
Oplus_16908288

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মো. অরুণ ভূঁইয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. রেজাউল করিম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. অরুণ ভূঁইয়া মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত আব্দুল কাদির ভূঁইয়ার ছেলে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ জুলাই সকাল প্রায় ১১টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি তার আপন ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি জমিতে বীজ পাহারা দিতে যায়। কিছুক্ষণ পর তার ভাই শিশুটিকে সেখানে রেখে বাড়িতে খাবার খেতে গেলে সুযোগ পেয়ে আসামি শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি তার দাদীকে ঘটনাটি জানায়। সেদিন শিশুটির বাবা-মা চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। তারা বাড়িতে ফিরে ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে ১৪জুলাই মতলব উত্তর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্ত করেন তৎকালীন মতলব উত্তর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোবারক আলী। তিনি ১৫ জুলাই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা মুক্তা জানান, মামলায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ, আসামির স্বীকারোক্তি এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম প্রধান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা