চাঁদপুর সদরের বিষ্ণপুর ইউনিয়নের মনোহরখাদী গ্রামে দুই ব্যক্তির অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, মনোহরখাদী গ্রামের গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ও তার বড় ভাই গোলাম কাদের জিলানী সানি এলাকার সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে হয়রানী, জমি দখল, ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। তাদের অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে একই গ্রামের মাইনুল ইসলাম চৌধুরী, মাসুদ চৌধুরী, শামচ চৌধুরী, জমশেদ চৌধুরী সহ অন্যান্যরা স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন রেহাই পাচ্ছে না।
তারা আরো জানান, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ও গোলাম কাদের জিলানী অন্যের জমি নিজেদের নামে জোর পূর্বক প্রশাসনকে ভয় দেখিয়ে নামজারী খারিজ করিয়ে নেন। ২০২০ সালে জিলানী ও তার চাচাতো ভাই গোলাম ওমর ফারুক চৌধুরী বিএনপি জামায়াত কর্মী বলে পুলিশি হয়রানী করে।
এছাড়া এলাকায় সামাজিক ও ধর্মীয় কাজে তারা বাধা প্রদান করে। জিলানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তার ভাইয়ের দুদক পরিচয় দিয়ে ওয়াকফ এস্টেটকে প্রভাবিত করে গোলাম কাদের চৌধুরী ওয়াক্ফ এস্টেট পরিচালনা কমিটি নিজের অনুগতদের নিয়ে গঠন করেন এবং নিজেদের ইচছামত টাকা খরচ করে কোন জবাবদিহিতা ছাড়া এবং কেউ হিসাব চাহিলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এসব কর্মকান্ডের সহযোগিতা করেন এলাকার দুই ব্যক্তি গোলাম মর্তুজা ও মামুন চৌধুরী। ইতিমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় ৩টি জিডি করা হয়েছে। এমনকি স্থানীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় তারা এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার অভিচার চালিয়ে যাচ্ছে।
মাইনুল ইসলাম চৌধুরী ও মাসুদ চৌধুরী আরো জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার ছেলে কোকোর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও দুর্নীতির মামলার বাদী হয়ে মামলা করে এবং গত ফ্যাসিষিট সরকারের সহায়তায় গোলাম জিলানী বিভিন্ন লোকদের হয়রানী করেন। এই গোলাম জিলানীর দুর্নীতির কারনে সেনাবাহিনীর থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছে। সাবেক দুদক পরিচালকের ছত্রছায়ায় তার আপন বড় ভাই গোলাম জিলানীর বিরুদ্ধে জমি দখল ও ওয়াকফ এস্টেট দখল নানা অভিযোগ লুটপাট রয়েছে, ইতোমধ্যে ওয়াকফ প্রশাসনে গোলাম জিলানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যা এখন তদন্তাধীন।
অভিযোগকারীরা এ প্রতিনিধিকে আরো জানান, তাদের অত্যাচারে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এদিকে তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাদেরকেও বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরজমিনে তদন্ত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি গ্রহন করবেন বলে মনোহরখাদী গ্রামবাসী জোড় দাবী জানিয়েছেন।