সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের অর্ন্তগত সুনুই গ্রামে মামাশ্বশুরের সাথে পরকীয়া হাতে নাতে ধরা খেয়েছে তিন সন্তানের জননী এক নারী ও পুরুষ।
উল্লেখ যে, সুনুই গ্রামের মোঃ সেলিম মিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার, তিন সন্তান থাকা সত্ত্বেও একই গ্রামের পাশের বাড়ির মামা মোঃ রেহান মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে।
পরকীয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে, বেশ কয়েকবার বিচার শালিশ এর মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে এলাকাবাসি।
কিছু দিন যেতে না যেতেই পুনরায় নিজ ঘরে ধরা পরে রোজিনা আক্তার ও তার পরকীয়ার প্রেমিক মামাশশুর রেহান মিয়া। সেলিম মিয়ার খালা রংবানু বেড়াতে আসে, আনুমানিক রাত ২টার সময় রংবানুর হাতে ধরা পরে রোজিনা ও রেহান মিয়া।
এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে দামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে রোজিনা আক্তার রাগ দেখিয়ে চলে যায় বাবার বাড়িতে এবং প্রতিবেশীদের বলে রেহান মিয়া ছাড়া সে ঐ সংসারে আসবে না।
রোজিনা আক্তার এর বড় মেয়ে জানায়,আব্বা আম্মা না হেই ঘরের নানা রে লইয়া, পর্দা টাঙ্গাইয়া শুইয়া থাকে তুমি যখন বাড়িত না থাহ।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এলাকাবাসির দাবি এই মেয়ে এলাকা নষ্ট করে ফেলবে এই মেয়ে এলাকায় না আসাই ভাল।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রোজিনা আক্তার জানায় এ-সব ভুল মিথ্যা আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এদিকে রোজিনার স্বামী সেলিম সাংবাদিকদের জানান, বেশ কয়েকবার বিচার এর মাধ্যমে তাকে ক্ষমা করেছি, এখন আর সম্ভব না। কাবিন ছাড়া বিয়া করছিলাম তাকে আমি তিন তালাক দিয়া দিলাম।