October 23, 2026, 8:49 pm
শিরোনামঃ
মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা সীমান্তে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সংঘর্ষ ঠেকাতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক আলোচনার প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার টাইফুন চাম্পির আশঙ্কায় প্রায় পুরো তাইওয়ানে স্থবিরতা, শত শত ফ্লাইট বাতিল সাজেকে অবরোধ ঘিরে গুলিবিনিময়, আটকে পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় কুমিল্লায় স্কুলছাত্রকে হত্যার অভিযোগ, চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গাজীপুরে বাড়িতে আগুনে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ, দুই শিশুসহ হাসপাতালে ভর্তি প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের প্রস্তুতিতে কূটনৈতিক দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, টোকিওতে পাঠানো হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, ২৭ অক্টোবর তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক জাপানের সঙ্গে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা, প্রধানমন্ত্রীর সফরে আসতে পারে ঘোষণা প্রস্তুতি ম্যাচে কালামের ১৩৫, জিসানের ৮৬—ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ বিসিবি একাদশের

মতলবে সৎ মা ও সৎ ভাই-বোনদের নির্যাতনে অসহায় পরিবার ; আদালতের দ্বারস্থ!

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার উত্তর বাইশপুর গ্রামে সৎ মা ও সৎ ভাই-বোনদের নির্যাতনের শিকার হয়েছে এক অসহায় পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে চলা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের প্রতিবাদে গিয়াসউদ্দিনের স্ত্রী খাদিজা বেগম চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় বিবাদী করা হয়েছে-ইমু মিয়াজী (২৬), আরমান মিয়াজী (২৪), তন্নী (২২), সৎ মা হেপী বেগম (৪৫), তাহমিনা (২২), এবং জিসান মল্লিক (৩৭) কে।

মো. নাছির উদ্দীন মিয়াজীর প্রথম স্ত্রী মৃত্যুবরণ করার পর তার সংসারে থাকা তিন ছেলে ও এক মেয়ে একরকম অবহেলিত জীবন শুরু করেন। স্ত্রীর মৃত্যুর মাত্র ৩৩ দিনের মাথায় হেপী বেগমকে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন নাছির উদ্দীন। এরপর থেকেই প্রথম ঘরের সন্তানেরা সৎ মায়ের অবহেলা ও অত্যাচারের শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে।

দ্বিতীয় সংসারে আরও চার ছেলে ও এক মেয়ে জন্ম নিলে পারিবারিক সম্প্রীতি ভেঙে পড়ে। প্রথম ঘরের বড় দুই ছেলে মহিউদ্দিন ও ফয়েজ প্রায় ২৮ বছর ধরে পিতার বাড়িতে যান না।

বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী খাদিজা বেগম বলেন, সৎ মা ও ভাই-বোনেরা আমাদের বাড়ি থেকে তাড়ানোর জন্য নানাভাবে নির্যাতন করছে। ঘরে ঢুকতে বাধা, সন্তানদের ভয়ভীতি—সব মিলিয়ে আমাদের জীবন দুর্বিষহ। তাই বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আমরা ন্যায়ের বিচার চাই।

প্রথম ঘরের দুই সন্তান মহিউদ্দিন ও ফয়েজ জানান, আমরা অনেক আগেই এই বাড়ি থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়েছি। আমাদের এতিমখানা পাঠিয়ে দিয়েছে। বাবার দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই আমাদের প্রতি অবিচার শুরু হয়। ধীরে ধীরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে আমরা আর ফিরে যেতে পারিনি। আমরা বড় ভাই গিয়াস উদ্দিনকে বলে এসেছি, যেমন করেই হোক তার অধিকার যেন সে আদায় করে।

তারা আরও বলেন, আজও আমাদের সেখানে ঠাঁই নেই। বাড়ি আমাদের, কিন্তু থাকার অধিকার নেই। প্রশাসনের উচিত এই বিষয়ের সঠিক তদন্ত করে নির্যাতিত পরিবারকে রক্ষা করা।

নাছির উদ্দীন জানান, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সংসার সামলাতে আমাকে দ্রুত দ্বিতীয় বিয়ে করতে হয়। কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রী হেপীর কথায় পড়ে আমি অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। তার চাপে পড়েই প্রথম ঘরের সন্তানদের এতিমখানায় পাঠানো হয়। আমি আমার প্রথম ঘরের সন্তানদের ঠিক মতন দেখাশোনাও ভরণ পোষণ করতে পারিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা