October 26, 2026, 5:54 pm
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে আজ রাতে ঢাকা ছাড়ছেন, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জাপানের সঙ্গে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের সময় রাষ্ট্রদূত ঢাকায় থাকবেন, সিদ্ধান্তকে ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বললেন প্রতিমন্ত্রী ভানুয়াতুর কাছে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প, নজর ভূকম্পন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে বয়ে গেল টাইফুন চাম্পি, নিহত ১, আহত পাঁচ শতাধিক ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের সতর্কবার্তা, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় তলব বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ২৭ অক্টোবর টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক মেট্রোরেল ব্যয় ও জাপানি ঋণের সুদ কমানোর আলোচনা, প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফরে একাধিক সমঝোতার প্রত্যাশা

কাঁঠালে স্বয়ংসম্পূর্ণ মতলব উত্তর ; ফলে-ফলনে ভরপুর প্রতিটি বাড়ি গাছ

মমিনুল ইসলাম:
Oplus_131072

৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের পর থেকে মতলব উত্তরে পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। বেড়িবাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর এলাকাবাসী কৃষিকাজ ও বৃক্ষরোপণে মনোযোগী হন। বিশেষ করে ফলজ গাছের মধ্যে কাঁঠাল গাছের আধিক্য লক্ষণীয়।

এ বছর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা ঘুরে দেখা গেছে—প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার পাশে, খোলা জায়গায় এমনকি বাড়ির সামনের উঠোনেও কাঁঠাল গাছ ছড়ানো। শাখা-প্রশাখা, কাণ্ড থেকে ঝুলে আছে শত শত কাঁঠাল। প্রকৃতির এই উপহার যেন সোনায় সোহাগা হয়ে এসেছে এলাকাবাসীর জন্য।

স্থানীয় বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ২০০ টাকায়। চাহিদা বেশি থাকলেও জোগানে ঘাটতি নেই। ফলে ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্ট, কৃষকরা লাভবান।

এভাবেই ধীরে ধীরে মতলব উত্তর হয়ে উঠছে কাঁঠাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি এলাকা। এখানকার সাফল্য অনুপ্রেরণা হতে পারে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের জন্যও।

আমুয়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল খান টিটু বলেন, আগে বাইরের বাজার থেকে কাঁঠাল কিনে খেতাম, এখন নিজের গাছেই খাওয়ার জন্য যথেষ্ট থাকে। বাড়তি ফল বিক্রি করেও আয় হচ্ছে।

ফরাজীকান্দির শাহনেওয়াজ জানান, আগে মতলব উত্তরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাবসায়ীরা কাঁঠাল নিয়ে আসত, এখন এখানেই এত পাওয়া যায় যে, দামও তুলনামূলকভাবে কম। স্বাদও খুব ভালো।

প্রবীণ মুরুব্বী আয়নাল হক জানান, বেরিবাদ সৃষ্টির আগে এখানে বর্ষার সময় অনেক পানি হতো। তাই কাঁঠাল গাছ জন্মাতো না। এখন বেরিবাদ হওয়ার পরে প্রচুর কাঁঠাল গাছ হয়েছে। এখন আর কাঁঠাল কিনে খেতে হয় না নিজেদের গাছে প্রচুর কাঁঠাল হয়েছে।

ব্যবসায়ী রহিম উদ্দিন বলেন, একসময় আমরা কাঁঠাল ঢাকার মাওয়া বা মিরপুর থেকে ট্রাকে করে আনতাম। এখন এখান থেকেই কাঁঠাল কিনে অন্য জেলায় পাঠাই।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী জানান, মতলব উত্তরের মাটি ও আবহাওয়া কাঁঠাল চাষের জন্য খুবই উপযোগী। গাছগুলো কম খরচে বেড়ে ওঠে এবং প্রতি বছর নিয়মিত ফল দেয়। কৃষি বিভাগ থেকে আমরা চারা বিতরণ ও পরিচর্যার পরামর্শ দিয়ে আসছি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা