May 12, 2026, 2:08 pm
শিরোনামঃ
চিরকুট লিখে নিখোঁজ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী লিখন মজুমদার পবন, উৎকণ্ঠায় পরিবার সুন্দরবনে অস্ত্রসহ দস্যু সর্দার মেজো জাহাঙ্গীর গ্রেপ্তার জনপ্রতিনিধি হিসাবে মানুষ কেন আপনাকে নির্বাচিত করবেন? একাধিক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ, আদালতের পরোয়ানার পর মতলব উত্তরে আটক মতলব উত্তরে চাঁদা দাবিতে হামলার অভিযোগে আদালতে মামলা খাদ্য, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার অবস্থা ভালো নেই, আমার এলাকার মানুষ খুবই অবহেলিত : এমপি কামরুল মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি সফিকুল, সম্পাদক সুমন মোংলা নদী পারাপারে ভোগান্তি নিরসনে প্রশাসনের জরুরি বৈঠক আল্লাহ পাক মানুষকে কেন তাঁর খলিফা হিসেবে ঘোষণা করেছেন?

মতলব উত্তরে আগাম ফুলকপি চাষে কৃষকদের মুখে হাসি

মমিনুল ইসলাম:
Oplus_16908288

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের কৃষকরা এবার অধিক লাভের আশায় ফুলকপি চাষে ঝুঁকেছেন। ইতোমধ্যে অনেক চাষি জমিতে চারা রোপণ শেষ করে বাজারজাতের প্রস্তুতিও শুরু করেছেন। মাঠের কচি কপি বাজারে উঠতে শুরু করায় চাষিদের মাঝে দেখা দিয়েছে নতুন আশার আলো।

উপজেলা বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় চাষিরা কেউ জমিতে সেচ দিচ্ছেন, কেউ নিড়ানি দিচ্ছেন, কেউবা কপি তুলে বাজারে পাঠাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কৃষকদের দাবি, আগাম জাতের কপি চাষে রোগবালাই কম হয়, ফলনও ভালো হয়, তাই তারা এবার দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে মতলব উত্তরে ফুলকপি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮৫ হেক্টর। এর মধ্যে স্নো হোয়াইট ৪০ হেক্টর, হোয়াইট মারবেল ৩০ হেক্টর, রূপা ৫ হেক্টর, মুনলাইট ১০ হেক্টর, কিরণ ১৫ হেক্টর, হোয়াইট স্টোন ২০ হেক্টর এবং ৭৭৭ জাতের ১৫ হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে আগাম জাতের কপি চাষিদের নিয়মিত রোগবালাই ও পোকামাকড় নিধন নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ছেংগারচর পৌরসভার ওঠারচর গ্রামের কৃষক আতাউর রহমান বলেন, দুই বিঘা জমিতে আগাম ফুলকপি করেছি। আগামী সপ্তাহ থেকেই কপি ওঠা শুরু হবে। খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। আবহাওয়া ভালো থাকলে লাখ টাকার মতো বিক্রি হবে। ধনিয়া সাথী ফসল হওয়ায় আগেই খরচ উঠে গেছে, এখন যা পাব সবই লাভ।

জহিরাবাদ ইউনিয়নের চাষি রহমত উল্ল্যা জানান, আগাম জাতের কপি চাষে ঝুঁকি কম। বাজারে দামও ভালো থাকে। এবার দেড় বিঘা জমিতে কপি করেছি। গাছে ভালো ফলন আসছে। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে, তাহলে বিগত বছরের চেয়ে বেশি লাভ হবে।

সুলতানাবাদ ইউনিয়নের চাষী শাহাদাত হোসেন বলেন, এখন কপির বাজার ভালো। আগাম কপি হওয়ায় পাইকাররা নিজেরাই জমিতে এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এবার ফলনে যেমন ভালো, তেমন দামও আশানরূপ। আমরা অনেক উৎসাহিত।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, মতলব উত্তরে আগাম জাতের ফুলকপি চাষ দিন দিন বাড়ছে। কৃষকরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করায় রোগবালাই কম হচ্ছে এবং ফলনও ভালো পাচ্ছেন। কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করছে। আগাম জাতের কপি বাজারে ভালো দাম থাকায় কৃষকদের আয়ও বাড়বে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা