May 12, 2026, 12:30 pm
শিরোনামঃ
চিরকুট লিখে নিখোঁজ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী লিখন মজুমদার পবন, উৎকণ্ঠায় পরিবার সুন্দরবনে অস্ত্রসহ দস্যু সর্দার মেজো জাহাঙ্গীর গ্রেপ্তার জনপ্রতিনিধি হিসাবে মানুষ কেন আপনাকে নির্বাচিত করবেন? একাধিক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ, আদালতের পরোয়ানার পর মতলব উত্তরে আটক মতলব উত্তরে চাঁদা দাবিতে হামলার অভিযোগে আদালতে মামলা খাদ্য, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার অবস্থা ভালো নেই, আমার এলাকার মানুষ খুবই অবহেলিত : এমপি কামরুল মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি সফিকুল, সম্পাদক সুমন মোংলা নদী পারাপারে ভোগান্তি নিরসনে প্রশাসনের জরুরি বৈঠক আল্লাহ পাক মানুষকে কেন তাঁর খলিফা হিসেবে ঘোষণা করেছেন?

হলুদে হলুদে ছেয়ে গেছে মতলবের বিস্তীর্ণ মাঠ ; সরিষা ফুলে প্রকৃতির অপরূপ সাজ

মমিনুল ইসলাম:

চাঁদপুরের মতলব উপজেলায় বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে চোখে পড়ছে হলুদের সমারহ। আগাম জাতের সরিষার হলুদ ফুলে ঢেকে গেছে মাঠের পর মাঠ। হিমেল হাওয়ায় দোল খাওয়া সরিষা ফুল যেন প্রকৃতিতে যোগ করেছে এক অনন্য সৌন্দর্য। এ দৃশ্য মুগ্ধ করছে পথচারীসহ সকলকেই, আর প্রাণ জুড়িয়ে দিচ্ছে কৃষকের মন।

সরিষা ফুলের এমন সমারহে খুশি কৃষকরা, পাশাপাশি আনন্দে রয়েছেন সরিষা থেকে মধু আহরণকারীরাও। বিগত কয়েক বছরে সরিষার ফলন ও বাজারদর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে কৃষকরা সরিষা চাষে আগের চেয়ে বেশি ঝুঁকেছেন।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মতলব উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে বারি সরিষা-৯, ১১, ১৪ ও ১৮ এবং বিনা সরিষা-৪ ও ৯সহ বিভিন্ন উন্নত জাতের সরিষার আবাদ করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প এলাকা ও উপজেলার চরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে সরিষার চাষ হয়েছে। মাঠের পর মাঠজুড়ে কেবল হলুদ আর হলুদ। এখানকার উৎপাদিত সরিষা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন মোকামে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে আবাদ বৃদ্ধি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন।

উপজেলার আধুরভিটি গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, এ বছর আমরা আগের তুলনায় অনেক বেশি সরিষা আবাদ করেছি। আবহাওয়া যদি এভাবেই অনুকূলে থাকে, তাহলে ভালো ফলন পাওয়ার আশা করছি।

চানখার বিলের কান্দি গ্রামের কৃষাণী আকলীমা বেগম বলেন, সরিষা চাষে রোপণ থেকে শুরু করে তেমন বাড়তি খরচ লাগে না। আমি এ বছর ৩৫ শতাংশ জমিতে এবং আমার ছোট ভাই কালাম ২৩ শতাংশ জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। শুধু সার দিলেই হয়, আলাদা করে সেচও দিতে হয় না। তাই সরিষা চাষে আমরা ভালো লাভ পাচ্ছি।

সরিষার ক্ষেত থেকে মধু আহরণে যুক্ত দুলাল মিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার সরিষার ক্ষেত অনেক বেশি। তাই এ বছর মধু উৎপাদনও বেশি হবে বলে আশা করছি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, সরিষা একটি স্বল্প খরচের লাভজনক ফসল। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের আগ্রহ বাড়ায় সরিষার আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলন ভালো হলে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এবং ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা