May 4, 2026, 1:54 pm
শিরোনামঃ
হাওরে কান্না, অতিবৃষ্টিতে ধানে পচন—স্বপ্নভঙ্গ কৃষকের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আবারও ইতিহাস গড়ল বই না পড়ার কারণে জাতি হিসাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানে আমরা আজও বহু পিছনে পড়ে আছি! নিজেকে জানো! সুন্নত পালনেই জিয়ারত, বট বাহিনীদের হুঁশিয়ারি মুফতী গিয়াস উদ্দীনের বাগেরহাটে অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে ক্ষেতের ফসল, ব্যাপক ক্ষতির মুখে কৃষক মতলব উত্তরে নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে জেলেদের ভিড়, তবে মিলছে না আশানুরূপ ইলিশ মোংলা–বেনাপোল কমিউটার ট্রেনের ইজারা চুক্তি বাতিল মতলব উত্তর গ্যারেজ মালিক সমিতির নতুন কমিটি ; সভাপতি উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল নির্বাচিত মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আবারও ইতিহাস গড়ল

ম. ম. রবি ডাকুয়া, বাগেরহাটঃ

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়ে আবারও আলোচনায় এসেছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। তীব্র তাপপ্রবাহ ও বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদার মধ্যেও কেন্দ্রটি মাসজুড়ে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

রোববার (৩ মে) বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯ শতাংশেরও বেশি একাই সরবরাহ করেছে এই কেন্দ্র, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এপ্রিলজুড়ে তীব্র দাবদাহের মধ্যেও কেন্দ্রটি গড়ে প্রায় ৮০ শতাংশ প্লান্ট লোড ফ্যাক্টর (পিএলএফ) বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন কেন্দ্রটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালু রেখে জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।

এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো এক মাসে ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাইলফলক স্পর্শ করল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, যা এর ধারাবাহিক কর্মক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকেও কেন্দ্রটি অত্যাধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে নির্মিত। উন্নত ফ্লু গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন (এফজিডি) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত মান বজায় রেখেই বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী বলেন, “সর্বোচ্চ চাহিদার সময় প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্র পরিচালনা করা শক্তিশালী অবকাঠামো ও দক্ষ জনবলের ফল।”

বর্তমানে ভারতের এনটিপিসির তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশি প্রকৌশলীরাই কেন্দ্রটির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা দেশের নিজস্ব কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের বিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা