May 17, 2026, 5:10 am
শিরোনামঃ
আধুনিকতা ও স্বাধীনতার নামে প্রজন্মের ‘মা’ ধ্বংসের নীলনকশা! সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সঙ্গে দস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ আটক ৩, উদ্ধার ৪ জেলে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মেঘনা-ধনাগোদা বেড়িবাঁধ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান এমপি ড. জালাল উদ্দিন শিয়া–সুন্নি বিভাজন : ইতিহাস, বাস্তবতা ও মুসলিম উম্মাহর সংকট সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলার প্রশ্নে সবসময় আপসহীন ছিলেন, জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ মতলব উত্তর, ডিজিএমকে খোলা চিঠি প্রকৌশলীর মতলব উত্তরে মামলাবাজ বেদে পরিবারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ; মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী মতলব উত্তরে বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু মোংলায় ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে মাঝি নিখোঁজ

আধুনিকতা ও স্বাধীনতার নামে প্রজন্মের ‘মা’ ধ্বংসের নীলনকশা!

Reporter Name

“একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সবসময় যুদ্ধ লাগে না; কখনও কখনও যথেষ্ট হয় তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিক ভিত্তি ভেঙে দেওয়া।”

বিশ্ববিদ্যালয়—শব্দটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ, ক্যারিয়ার এবং একটি আলোকিত জীবনের ছবি। একজন বাবা যখন নিজের মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করান, তখন তিনি কেবল একটি ডিগ্রির স্বপ্ন দেখেন না; বরং তিনি কল্পনা করেন—একদিন তাঁর মেয়েটি শিক্ষিত হবে, সম্মান নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, পরিবার ও সমাজকে আলোকিত করবে। একজন মা নিজের কষ্টের টাকা বাঁচিয়ে মেয়ের জন্য বই কেনেন, ভালো পোশাক কিনে দেন, শহরে পাঠান—এই আশায় যে, মেয়েটি মানুষের মতো মানুষ হবে। কিন্তু আজ প্রশ্ন উঠছে—সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসলে কী হচ্ছে?

আজ দেশের বড় বড় শহরে, বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট কিংবা অন্যান্য বিভাগীয় শহরে এমন এক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, যা বহু অভিভাবক কল্পনাও করতে পারেন না। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের একটি অংশ আজ এমন এক জীবনযাপনে জড়িয়ে পড়ছে, যা কেবল ব্যক্তিগত নৈতিকতার সংকট নয়; বরং ভবিষ্যৎ সমাজ ও পরিবার ব্যবস্থার জন্যও ভয়াবহ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কেউ প্রেমিকের সঙ্গে নিয়মিত রুমডেট করছে, কেউ মেস বা হাইডআউটে সময় কাটাচ্ছে, কেউ আবাসিক হোটেলে রাত কাটাচ্ছে, আবার কেউ বিলাসী জীবনযাপন ও অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য নিজের শরীরকে পণ্যে পরিণত করছে—এমন অভিযোগ এখন আর ফিসফিস গুঞ্জন নয়; বরং নগরজীবনের এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা হয়ে উঠছে।

অনেকে হয়তো বলবেন—এসব অতিরঞ্জিত কথা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শহরের আবাসিক হোটেল, গোপন রেস্টুরেন্ট, ডার্ক ক্যাফে, ব্যক্তিগত ফ্ল্যাট ও হাইডআউট সংস্কৃতি এখন ওপেন সিক্রেট। একজন হোটেল ম্যানেজার, একজন নিরাপত্তাকর্মী, একজন রাইডার, একজন রেস্টুরেন্ট কর্মচারী কিংবা শহুরে জীবনের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ প্রতিনিয়ত এই বাস্তবতার সাক্ষী হচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, রাত নামলেই অসংখ্য তরুণ-তরুণী “স্বামী-স্ত্রী” পরিচয়ে হোটেলে প্রবেশ করছে। টাকা খরচ হচ্ছে ১৫০০ থেকে ৫০০০, কোথাও আরও বেশি। মুখে হিজাব, হাতে দামি ফোন, গায়ে আধুনিক ফ্যাশনের পোশাক—বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই, কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আর কে অন্য কোনো পরিচয়ের মানুষ।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে—এগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে। একসময় সমাজে যে বিষয়গুলোকে গোপন লজ্জার বিষয় হিসেবে দেখা হতো, এখন সেগুলোকে “মডার্ন লাইফস্টাইল”, “পার্সোনাল ফ্রিডম”, “ওপেন মাইন্ডেডনেস” কিংবা “ক্যাম্পাস কালচার” নামে গ্রহণযোগ্য করার চেষ্টা চলছে। কেউ যদি প্রশ্ন তোলে, সঙ্গে সঙ্গে তাকে “সেকেলে”, “ব্যাকডেটেড”, “নারীবিদ্বেষী” কিংবা “কনজারভেটিভ” বলে আক্রমণ করা হয়। অথচ প্রশ্ন হলো—নৈতিকতা কি এখন পুরোনো ধারণা? লজ্জা কি এখন অপ্রয়োজনীয়? পরিবার কি কেবল অর্থ উপার্জনের যন্ত্র? একজন নারী কি শুধু ক্যারিয়ার ও স্বাধীনতার নামে নিজের শরীর, আবেগ ও সম্মানকে বাজারে তোলার জন্য জন্ম নিয়েছে?

অনার্সের বয়সটাই এমন একটি সময়, যখন মানুষ আবেগের দিক থেকে সবচেয়ে দুর্বল থাকে। গ্রামের কনজারভেটিভ পরিবার থেকে উঠে আসা একটি মেয়েও যখন শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে, তখন সে এক নতুন জগতের মুখোমুখি হয়। সেখানে বন্ধুত্ব, আড্ডা, অবাধ মেলামেশা, সম্পর্ক, প্রেম, পার্টি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবকিছু মিলে তার মানসিক জগতে বড় পরিবর্তন আনে। ছেলেদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে থাকা, ব্যক্তিগত আলাপ, গোপন আলোচনা, সম্পর্কের গভীরতা—এসব ধীরে ধীরে তার ভেতরের সংকোচ ও লজ্জাকে কমিয়ে দেয়। আর যখন সমাজ চারপাশ থেকে বলে—“এটাই স্বাভাবিক”, তখন অনেকেই বুঝতেই পারে না, ঠিক কোন জায়গা থেকে সে নিজের নৈতিক সীমানা হারাতে শুরু করেছে। এখানে আরেকটি বড় বাস্তবতা হলো ভোগবাদী সংস্কৃতি। আজকের সমাজে মানুষকে মূল্যায়ন করা হয় তার চরিত্র দিয়ে নয়; বরং সে কী মোবাইল ব্যবহার করে, কোথায় ঘুরতে যায়, কী পোশাক পরে, কোন রেস্টুরেন্টে খায়, কত দামি জীবনযাপন করে—এসব দিয়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এই প্রতিযোগিতাকে আরও ভয়াবহ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বহু তরুণী আজ বিলাসী জীবনযাপনের চাপ অনুভব করে। কেউ দামি ফোন চায়, কেউ ব্র্যান্ডেড পোশাক, কেউ ট্রিপ, কেউ ক্যাফে কালচার, কেউ “স্মার্ট লাইফস্টাইল”। কিন্তু মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে সবসময় এসব বহন করা সম্ভব হয় না। তখন কেউ টিউশন করে, কেউ পার্টটাইম চাকরি করে, আবার কেউ শর্টকাট পথ বেছে নেয়।

এই জায়গাতেই প্রবেশ করে দালালচক্র ও অসুস্থ নেটওয়ার্ক। শহরের অনেক জায়গায় এমন চক্র রয়েছে বলে অভিযোগ আছে, যারা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের টার্গেট করে। কেউ প্রেমের ফাঁদে ফেলে, কেউ অর্থের লোভ দেখায়, কেউ “মডেলিং”, “ইভেন্ট”, “পার্টি”, “স্পন্সরশিপ” বা “ফ্রেন্ডশিপ” নাম দিয়ে ধীরে ধীরে তাদের ব্যবহার করে। শুরুতে হয়তো একটি উপহার, একটি দামি ফোন, একটি ট্রিপ কিংবা কিছু টাকা—এরপর ধীরে ধীরে মেয়েটি এমন এক জগতে প্রবেশ করে, যেখান থেকে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—অনেক অভিভাবক কিছুই জানেন না। তারা ভাবছেন, মেয়েটি হয়তো লাইব্রেরিতে পড়ছে, ক্লাস করছে, বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডি করছে। অথচ একই সময়ে শহরের কোনো আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট বা ব্যক্তিগত ফ্ল্যাটে অন্য বাস্তবতা ঘটছে। একজন বাবা-মা যখন ফোন করে বলেন—“মা, খেয়েছো?”, তখন হয়তো মেয়েটি অন্য কোথাও বসে মিথ্যা বলছে—“জি আম্মু, রুমে আছি।”

এখানে প্রশ্ন উঠতেই পারে—সব মেয়েই কি এমন? অবশ্যই না। হাজার হাজার মেয়ে আছে যারা কঠোর সংগ্রাম করে পড়াশোনা করছে, পরিবারকে বাঁচানোর স্বপ্ন দেখছে, সততা ও সম্মান নিয়ে জীবন গড়ছে। কিন্তু সমস্যা হলো, সমাজে যে অংশটি নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে যাচ্ছে, তাদের প্রভাব ও দৃশ্যমানতা এত বেশি হয়ে উঠছে যে পুরো পরিবেশই আক্রান্ত হচ্ছে। ভালো মেয়েরাও এখন অনিরাপদ পরিবেশ, মানসিক চাপ ও সামাজিক বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে।

আরেকটি ভয়ংকর পরিবর্তন হচ্ছে সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণ। আজ “বয়ফ্রেন্ড” যেন অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক স্ট্যাটাসে পরিণত হয়েছে। প্রেম এখন আর গভীর আবেগ বা দায়িত্বের বিষয় নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক সম্পর্ক, ঘোরাঘুরি ও সময় কাটানোর সংস্কৃতিতে সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। সম্পর্ক ভাঙছে, নতুন সম্পর্ক হচ্ছে, আবার ভাঙছে। একসময় মানুষের হৃদয়ও এসবের প্রতি অসাড় হয়ে যায়। আবেগের গভীরতা হারিয়ে গিয়ে সম্পর্ক হয়ে পড়ে সাময়িক ভোগের বিষয়। এর প্রভাব ভবিষ্যৎ পরিবার ব্যবস্থার উপরও পড়ছে। কারণ যে মানুষ দীর্ঘদিন সম্পর্ককে কেবল সাময়িক আনন্দের জায়গা হিসেবে দেখেছে, তার জন্য পরবর্তীতে দায়িত্বশীল দাম্পত্য জীবন গড়া কঠিন হয়ে যেতে পারে। পরিবার কেবল শরীরের সম্পর্ক নয়; এটি বিশ্বাস, ত্যাগ, ধৈর্য, ভালোবাসা ও দায়িত্বের জায়গা। কিন্তু যখন মানুষ ছোটবেলা থেকেই ভোগবাদী ও স্বার্থকেন্দ্রিক সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে ওঠে, তখন সেই সম্পর্কগুলোও দুর্বল হয়ে পড়ে।

আজ অনেক তরুণ-তরুণী “ফ্রিডম” শব্দটির ভুল ব্যাখ্যা শিখছে। স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছা তাই করা নয়। স্বাধীনতা মানে দায়িত্ববোধের সঙ্গে জীবনযাপন করা। ইসলামও মানুষকে স্বাধীনতা দিয়েছে, কিন্তু সেই স্বাধীনতার সঙ্গে নৈতিকতার সীমারেখাও নির্ধারণ করেছে। কারণ মানুষ যদি কেবল প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তাহলে সমাজ ধীরে ধীরে পরিবারহীন, দায়িত্বহীন ও আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ে। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থারও বড় একটি সংকট আছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্যারিয়ার, চাকরি ও প্রতিযোগিতার শিক্ষা দেওয়া হয়, কিন্তু নৈতিকতা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সম্পর্কের দায়িত্ব, পারিবারিক মূল্যবোধ কিংবা আত্মিক উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর আলোচনা খুব কম হয়। ফলে একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করলেও মানুষ হিসেবে পরিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে না।

অভিভাবকদেরও ভুল আছে। অনেকেই সন্তানকে শুধু “সফল” দেখতে চান, কিন্তু “সৎ” দেখতে চান না। তারা চান মেয়ে ইংরেজিতে স্মার্ট হোক, দামি চাকরি করুক, বড় শহরে থাকুক—কিন্তু সে মানসিকভাবে কেমন আছে, কী পরিবেশে চলছে, কাদের সঙ্গে মিশছে, কী ধরনের জীবনদর্শন গড়ে উঠছে—এসব নিয়ে খুব কমই ভাবেন। আবার অনেক পরিবার শুধুই অর্থ ও বিলাসিতার পেছনে ছুটতে ছুটতে সন্তানদের ভেতরে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে ব্যর্থ হচ্ছে।

অনেকে প্রশ্ন করেন—বিকল্প কী?

বিকল্প অবশ্যই আছে। কিন্তু সমস্যা হলো, পুঁজিবাদী মানসিকতা এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে মানুষ “সফলতা” বলতে কেবল অর্থ, চাকরি, ব্র্যান্ড, বিলাসিতা ও বাহ্যিক চাকচিক্য বোঝে। ফলে বিকল্প পথ দেখালেও অনেকেই তা গ্রহণ করতে চান না। কারণ তাদের কাছে লজ্জাহীন আধুনিকতাই এখন উন্নতির প্রতীক।

বিকল্প হলো—নৈতিক শিক্ষা, পরিবারকেন্দ্রিক সমাজ, সহজ জীবন, আত্মসম্মান, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা। বিকল্প হলো এমন শিক্ষাব্যবস্থা, যেখানে মানুষ শুধু চাকরিজীবী নয়; বরং দায়িত্ববান মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠবে। বিকল্প হলো এমন পরিবার, যেখানে সন্তান বাবা-মায়ের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে পারবে। বিকল্প হলো এমন সমাজ, যেখানে চরিত্রকে অর্থের চেয়ে বেশি মূল্য দেওয়া হবে।

সবশেষে বলতে হয়, একটি জাতির ভবিষ্যৎ ধ্বংস করতে হলে তার নারীদের অপমানিত, বিভ্রান্ত ও ভোগের পণ্যে পরিণত করাই যথেষ্ট। কারণ একজন মা শুধু একজন নারী নন; তিনি একটি প্রজন্মের নির্মাতা। যদি সমাজের মেয়েরা কেবল বাহ্যিক চাকচিক্য, সাময়িক সম্পর্ক ও ভোগবাদী সংস্কৃতির মধ্যে নিজেদের হারিয়ে ফেলে, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও নৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই এখনই সময়—অভিভাবক, শিক্ষক, সমাজ ও রাষ্ট্রকে বাস্তবতা নিয়ে ভাবতে হবে। চোখ বন্ধ করে থাকলে সমস্যার সমাধান হবে না। আবার পুরো প্রজন্মকে ঘৃণা করলেও সমাধান হবে না। প্রয়োজন সত্যকে স্বীকার করা, নৈতিক শিক্ষা জোরদার করা এবং তরুণদের এমন পরিবেশ দেওয়া, যেখানে তারা সম্মান, আত্মমর্যাদা ও মূল্যবোধ নিয়ে বড় হতে পারে।

 

লেখক :
আজম পাটোয়ারী
প্রকাশক
আরডিএম মিডিয়া এন্ড প্রকাশনী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা