রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ইউআইএইচপি ন্যাশনাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ-২০২৬-এর প্রথম পর্বে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়।
জাতীয় পর্যায়ের এ উদ্ভাবনভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা চারটি ক্যাটাগরির মধ্যে তিনটিতে পুরস্কার লাভ করেছে।
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ)-এর আওতায় পরিচালিত ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব প্রোগ্রাম (ইউআইএইচপি) আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা গত ৯ জুন রুয়েট ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৪টি দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ইউআইএইচপি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫টি দল অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম এইচজিটি ‘বেস্ট ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’, টিম টেকনোফ্লো ‘বেস্ট পিচ অ্যাওয়ার্ড’ এবং টিম এগ্রিলুমিনেট ‘বেস্ট প্রোটোটাইপ অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে। মোট পাঁচটি পুরস্কারের মধ্যে তিনটিই অর্জন করে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দলগুলো, যা প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি গৌরবজনক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইআইসিটি)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ সিদ্দীকুর রহমান, ইউআইএইচপি রুয়েটের ফোকাল পয়েন্ট মো. আবু ইসমাঈল সিদ্দিকী এবং ইউআইএইচপি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকাল পয়েন্ট ফরিদুজ্জামান খান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিইআইইডি প্রজেক্টের ট্রেনিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রাকিবুল ইসলাম, সোশ্যাল স্পেশালিস্ট খালেদা ইসলাম এবং মালয়েশিয়া থেকে আগত ইউআইএইচপি-এর প্রজেক্ট ম্যানেজার ও এক্সপার্ট টিমের সদস্য আহমেদ জাকির জাফর।
উল্লেখ্য, পুরস্কারপ্রাপ্ত দলগুলো এর আগে ইউআইএইচপি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে প্রি-সিড ফান্ডপ্রাপ্ত উদ্ভাবনী দল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতার পরবর্তী ধাপে সারা দেশ থেকে নির্বাচিত ১০০টি দলকে তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য এক লাখ টাকা করে সিড গ্র্যান্ট প্রদান করা হবে।
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সাফল্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী, মেন্টর এবং ইউআইএইচপি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির মতে, এ অর্জন শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে আরও উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে নতুন নতুন সাফল্যের পথ উন্মুক্ত করবে।