October 8, 2026, 7:12 am
শিরোনামঃ
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন ছেংগারচর পৌরসভার আহ্বায়ক ইলিশ প্রজনন: চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় মধ্যরাত থেকে নিষেধাজ্ঞা শুরু চাঁদপুরে ২২ হাজারের পর আড়াই হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ‘চিহ্নিত’ কারবারি মেঘনায় টাস্কফোর্স : নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা মা ইলিশ রক্ষায় মতলব উত্তরে টাস্কফোর্সের প্রস্তুতি সভা মতলব উত্তরে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতনীদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় মতলব উত্তরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ মতলব উত্তরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আতাউর রহমান ঢালীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ইসলামী নিয়মে কোরবানি করা পশু জবাইয়ে ব্যথা অনুভব করে কি?

বাতায়ন24নিউজ ডেক্স :

এই কথাটি আমাদের সকল মুসলমানের জেনে রাখা উচিত, তাহলে কোন অমুসলিম এই নিয়ে কথা বললে তার যথাযথ উত্তর দিতে পারবে।

এ নিয়ে একটা পরীক্ষা করা হয়েছিল।। গরু জবাইয়ের সময়ে EEG পরীক্ষা করে গরুর মস্তিষ্ক এবং ECG করে গরুর হার্ট দেখা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, জবাইয়ের প্রথম ৩ সেকেন্ডে EEG গ্রাফে কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না, অর্থাৎ গরু কোনো ব্যাথা পায় না। পরের ৩ সেকেন্ডের EEG রেকর্ডে দেখা যায়, গরু গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার মতো অচেতন হয়ে থাকে, শরীর হতে প্রচুর রক্ত বের হয়ে যাওয়ায় ব্রেইনে রক্ত সরবরাহ হয় না বলে এই অচেতন অবস্থা হয়। এই ৬ সেকেন্ড পরে EEG গ্রাফে Zero level দেখাচ্ছিলো, তার মানে গরু কোনো ব্যাথা পাচ্ছিলো না।। গরুর যে খিচুনি আমরা দেখি সেটা Spinal cord এর একটি Reflex Reaction, এটি মোটেও ব্যাথার জন্য হয় না। এই পরীক্ষাটি করেন জার্মানির হ্যানোভার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শুলজ এবং ডক্টর হাজিম।

এখন আলোচনা করা যাক জবেহ করার ইসলামী পদ্ধতি কি?

জবেহ করার সময় যেসব বিষয় লক্ষণীয় :

(১) যা জবেহ করা হবে, তার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করতে হবে, তাকে আরাম দিতে হবে। যাতে সে কষ্ট না পায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

(২) যদি উট জবেহ করতে হয়, তবে তা নহর করবে। নহর হলো, উটটি তিন পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকবে আর সম্মুখের বাম পা বাঁধা থাকবে। তার বুকে ছুরি চালানো হবে। উট ছাড়া অন্য জন্তু হলে তা তার বাম কাতে শোয়াবে। ডান হাত দিয়ে ছুরি চালাবে। বাম হাতে জন্তুর মাথা ধরে রাখবে। মুস্তাহাব হলো, জবেহকারী তার পা জন্তুটির ঘাড়ে রাখবে।

(৩) জবেহ করার সময় বিসমিল্লাহ বলতে হবে। কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন :‘যার ওপর আল্লাহর নাম (বিসমিল্লাহ) উচ্চারণ করা হয়েছে, তা থেকে তোমরা আহার করো।’ [সুরা আনআম :১১৮]

জবেহ করার সময় তাকবির বলা মুস্তাহাব। যেমন হাদিসে এসেছে : জাবের (রা) থেকে বর্ণিত, একটি দুম্বা আনা হলো। রাসুলুল্লাহ (স) নিজ হাতে জবেহ করলেন এবং বললেন, ‘বিসমিল্লাহ ওয়াল্লাহু আকবার, হে আল্লাহ! এটা আমার পক্ষ থেকে। এবং আমার উম্মতের মাঝে যারা কোরবানি করতে পারেনি তাদের পক্ষ থেকে।’ [আবু দাউদ]

অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (স) দুটি শিংওয়ালা ভেড়া জবেহ করলেন, তখন বিসমিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বললেন। [সুনানে দারামি, ১৯৮৮, হাদিসটি সহিহ]

জবেহ করার সময় বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার পাঠের পর আল্লাহুম্মা হা-যা মিনকা ওয়া লাকা (হে আল্লাহ! এটা তোমার তরফ থেকে, তোমারই জন্য) বলা যেতে পারে। যার পক্ষ থেকে কোরবানি করা হচ্ছে, তার নাম উল্লেখ করে দোয়া করা জায়েজ আছে। এভাবে বলা, ‘হে আল্লাহ! তুমি অমুকের পক্ষ থেকে কবুল করে নাও।’

তথ্য ও ছবি সংগ্রহ : বাবুই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা