October 17, 2026, 6:46 am
শিরোনামঃ
ফাইনালে চার রানে হার, ত্রিদেশীয় সিরিজে রানার্সআপ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল রাজধানীতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উদ্ধার আরও দুটি বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব কাঠামো নিয়ে বিশ্বব্যাংকের আলোচনা ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ পালিত হলো বিশ্ব খাদ্য দিবস খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা সুন্দরবনসংলগ্ন ১৮টি অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে সৌদি আরবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন–উপসাগরীয় সম্মেলন স্থগিত সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা

মতলব উত্তরে সম্পত্তিগত বিরোধে পানিবন্দি ১১ সংখ্যালঘু পরিবার

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধি :

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের আমুয়াকান্দা গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে ১১টি সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম ভোগান্তিতে দিন কাটাচ্ছে। বাড়ির সামনের রাস্তায় বাঁধ দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়ায় পরিবারগুলো অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমুয়াকান্দা গ্রামের জালাল জমাদার কিছুদিন আগে সালামত প্রধানের কাছ থেকে প্রতি শতাংশ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় মোট ৫২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ওই জমির এক শতাংশ অংশ রাস্তার উত্তর-পূর্ব পার্শ্বে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের অদিত্য সরকারের সীমানায় গিয়ে ঠেকে। অভিযোগ উঠেছে, জালাল জমাদার ওই এক শতাংশ জমির বিনিময়ে অদিত্য সরকার ও তার আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। কিন্তু এত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তিনি ওই পরিবারগুলোর বাড়ির সামনের রাস্তার মুখে বাঁধ দিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করেন। ফলে রান্নাঘরসহ বসতবাড়ি পানির নিচে ডুবে গিয়ে পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সংখ্যালঘু পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল ও বসবাসের পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

অভিযোগের বিষয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভুক্তভোগী অদিত্য সরকার বলেন, আমরা কয়েক প্রজন্ম ধরে এখানে বসবাস করছি। হঠাৎ করে জালাল জমাদার এসে আমাদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। ঘর-বাড়ি পানিতে ডুবে গেছে। আমরা কোথাও যেতে পারছি না। এটা আমাদের মৌলিক অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ।

অভিযুক্ত জালাল জমাদার বলেন, গ্রামের পঞ্চায়েত যেই রায় দিয়েছে আমি সেটাই মেনে নিয়েছি। কিন্তু অদিত্য সরকার ও তার পরিবারের লোকজন সমাজের রায় মানেনি। তাই আমি তাদের বাড়ির সামনে বাদ (বাঁধ) দিয়ে রেখেছি। যদি তাদের চলাচলে অসুবিধা হয়, তাহলে আমি বাদ খুলে দেওয়ার বিষয়ে ভাববো।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, কাউকে জোরপূর্বক ভোগান্তিতে ফেলা বা চলাচলে বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা