October 21, 2026, 10:06 pm
শিরোনামঃ
সাজেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা, পর্যটকদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৩৭৩ ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ, ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর, বিরোধী পক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফর ঘিরে নিরাপত্তা, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা গাজায় খাদ্যসংকট আরও তীব্র, সহায়তা কমায় শিশুদের পুষ্টি নিয়ে উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি নেই বলে জানাল ইরান, মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে অনিশ্চয়তা নগদ লেনদেনের ব্যয় ডিজিটাল পেমেন্টের চেয়ে ২৮ গুণ বেশি, বলছে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক সাংবাদিকতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা সত্যের পক্ষে কলম, মানুষের পাশে সাংবাদিক

সাজেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা, পর্যটকদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান

রাঙামাটি প্রতিনিধি :

সংগঠন দুটির নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ স্থগিত রাখা হয়েছিল।

এর আগে ১১ অক্টোবর অবরোধ শুরু হয়। সে সময় সাজেক থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সন্তু লারমা-সমর্থিত অংশের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়াসহ তিন দফা দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সর্বশেষ বিবৃতিতে সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, সশস্ত্র সদস্যরা আগের অবস্থানেই রয়েছেন। তাদের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে, কেউ কেউ বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে জুমচাষিরা নিজেদের জমিতে যেতে পারছেন না। এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া প্রয়োজন।

সংগঠন দুটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের দাবির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে। সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের বুধবারের মধ্যে পর্যটন এলাকা ছেড়ে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে। তবে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, মৃতদেহবাহী গাড়ি, জরুরি ওষুধ পরিবহনের যানবাহন এবং সংবাদপত্র ও সাংবাদিক পরিবহনের গাড়িকে অবরোধের আওতামুক্ত রাখার কথা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাজেক দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। সেখানে সড়ক অবরোধ দীর্ঘায়িত হলে পর্যটন ব্যবসা, স্থানীয় পরিবহন, হোটেল-রিসোর্ট এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও ভূমি ব্যবহারের উদ্বেগেরও শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা