June 25, 2026, 8:25 pm
শিরোনামঃ
ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন কমিটির প্রথম পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত মতলব উত্তরে পৃথক অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মতলব উত্তরে ৩ হাজার ৪৫৫ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বীজ-সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ চীনের সঙ্গে মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার নতুন দিগন্ত ; ৬ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা মোংলায় যুদ্ধজাহাজ দ্রুত মেরামতে বিশেষ ডকিং ফ্যাসিলিটি ; নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত মতলব উত্তরে কলাবাগান থেকে অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পা ভাঙল স্কুলছাত্র ফারহানের বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে সামার-২০২৬ সেশনের আইন ও ফার্মেসী বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সুন্দরবনে সক্রিয় ১৫০ বন্যপ্রাণী শিকারি; গোয়েন্দা নজরদারিতে অপরাধী চক্র যুবসমাজ যত বেশি মাঠমুখী হবে, ততই তারা মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে : আলমগীর সরকার

ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’-র প্রভাবে মতলব উত্তরে টানা বৃষ্টিতে ব্যাপক ফসলহানি ও জলাবদ্ধতা

মমিনুল ইসলাম:

ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’-র প্রভাবে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় টানা দুইদিনের ভারী বর্ষণে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও কৃষিখাতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে জমিতে পানি জমে থাকায় শাকসবজি ও আউশ ধানের বীজতলা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার আধুরভিটি, হানিরপাড়, জোরখালী, দেওয়ানজীকান্দি, নেকরাজার বিল, মাথাভাঙা, নেদামদী, টরকী এবং রায়েরকান্দি বিলে ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ এলাকায় জমির পানি বের হওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় ফসল ডুবে গেছে এবং গবাদিপশুর খড় পানির নিচে থাকায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত বৃষ্টির পানিতে অনেক জলাশয় উপচে মাছ চলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান, যা মৎস্য খাতেও প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপজেলার কৃষকরা দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পুনর্বাসন সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,

ঘূর্ণিঝড় শক্তির প্রভাবে মতলব উত্তরে এ পর্যন্ত ৮ হেক্টর আউশ ধানের বীজতলা ও ৭০ হেক্টর জমির বিভিন্ন শাকসবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঢালী কান্দি গ্রামের কৃষক আলী রেজা, হোসেন ও জয়নাল হাজারী জানান, আমাদের লাউ, ধুন্দুল, ঢেঁড়স ক্ষেতে পানি জমে আছে। গাছগুলো পুরোপুরি পানির নিচে। পাতার রঙ হলুদ হয়ে গিয়েছে। এরকম থাকলে গাছগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।

জোরখালী গ্রামের কৃষক মোস্তফা বেপারী বলেন, কয়েকদিন আগে আউশ ধানের বীজতলা তৈরি করেছিলাম। এখন দুইদিনের বৃষ্টিতে পুরো বীজতলা পানির নিচে। নতুন করে বীজতলা করতে হলে সময় ও খরচ—দুইটাই লাগবে।

দেওয়ানকান্দি গ্রামের খোকন সরকার ও জসীমউদ্দিন জানান, বোরো ধান কেটে ঘরে তুলেছি, কিন্তু ধানের খড় শুকানোর জন্য জমিতে রেখেছিলাম। সব খড় এখন পানির নিচে। যদি জলাবদ্ধতা না কমে, তাহলে এগুলো পচে যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করছি। এখন পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জলাবদ্ধতায় আউশ বীজতলা ও সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট প্রস্তুত হবে। কৃষকদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা