ভরা মৌসুমেও চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ইলিশের সরবরাহ কম। চাহিদা থাকলেও তা পূরণ করতে পারছে না ব্যবসায়ীরা। যার ফলে স্থানীয় পদ্মা-মেঘনা নদীর ইলিশের দাম এখনও চড়া।
এদিকে এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ১ হাজার ৭০০টাকা থেকে আরো অধিক।
স্থানীয় জেলেদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঋণ করে কেনা জাল এবং নৌকা মেরামত করে নদীতে মাছ ধরতে যায় তারা, তবে নদীতে ইলিশ কম। আবার ভাল দাম পাচ্ছে না। অন্যদিকে একমাস পরে মা ইলিশ রক্ষায় আসবে নিষেধাজ্ঞা। তাই তাদের চিন্তা এখন কিভাবে ঋণ পরিশোধ করবে।
মাছ ক্রয়কালে একজন ক্রেতার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার স্বজনদের জন্য ঢাকায় পাঠাতে ৭৮ কেজি ইলিশ কিনেছি। স্থানীয় প্রতি কেজি ইলিশ এখনো ১ হাজার ৬শ’ থেকে ১ হাজার ৭শ’ টাকা। আরও বেশি ইলিশ ক্রয় করার ইচ্ছা থাকলেও বেশি দামের কারণে কিনতে পারিনি।
অন্য একজন ক্রেতা বলেন, ইলিশের বাড়ি খ্যাত চাঁদপুর মাছঘাটে এসেছি কম দামে ইলিশ কিনতে। কিন্তু এখানে এসে দেখি ভিন্ন চিত্র। ইলিশের দাম অনেক বেশী। ১ কেজি ওজনের ইলিশ ১৭০০টাকা। কি কারণে ইলিশের দাম এত বেশী বুঝতে পারছি না।
মৎস আড়তের একজন ব্যাপারী বলেন, স্থানীয় ইলিশের আমদানি কিছুটা বেড়েছে। তমে দাম কমেনি। ইলিশের পাশাপাশি পোয়া, চিংড়ি ও দেশীয় চাষের মাছও ঘাটে বিক্রি হচ্ছে।
চাঁদপুরের মাছঘাট এলাকাটি একটি আকর্ষনীয় পর্যটনকেন্দ্র। যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন ঘুরতে আসেন। আবার ইলিশ মাছও ক্রয় করেন। তবে সেসব ক্রেতাদের চাহিদার তুলনায় ইলিশ সরবরাহ কম। যে কারণে দামও কিছুটা বেশী। এখন প্রতিদিন ৫শ’ থেকে ৭শ’ মণ ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আড়তগুলোতে বিক্রি হচ্ছে চিংড়ি, পোয়া ও চাষকৃত মাছ।