August 10, 2026, 6:40 pm
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

ছেংগারচর পৌরসভা জনপ্রতিনিধিরা লাপাত্তা ; সেবা পেতে ঘুরছে মানুষ

মতলব উত্তর প্রতিনিধি :

সরকারের পদত্যাগের পর আত্মগোপনে চলে যান মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার বেশিরভাগ জনপ্রতিনিধি।

এদিকে কার্যালয় ছাড়ার তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তাদের অনেকেই এখনো কার্যালয়ে ফেরেননি। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সেবা প্রত্যাশীদের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার বেশির ভাগ কাউন্সিলর ছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত। সারাদেশের বিভিন্ন পৌরসভার মেয়রদের সাথে ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র আরিফ উল্যাহ সরকারকে ১৯ আগষ্ট অপসারণ করা হয়। এরপর মতলব উত্তর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিল্লোল চাকমাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত হওয়ায় হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর থেকেই গা-ঢাকা দেন কাউন্সিলররা। সেইসঙ্গে বন্ধ রয়েছে অনেকের মোবাইল ফোন।

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা পরিষদে না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে পৌরসভা থেকে দেওয়া বিভিন্ন সনদ ও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের মতো নাগরিক সেবা কার্যক্রম। সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণ পড়েছেন চরম বিপাকে।

পৌরসভার একাধিক সেবা প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাউন্সিলররা না থাকায় তারা দুর্ভোগে পড়েছেন। কাউন্সিলররা উপস্থিত থাকলে বেশিরভাগ সেবা তৎক্ষণাৎ পাওয়া যেত। কাউন্সিলররা অনুপস্থিত থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি যেখানে বলছেন সেখানে যেতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তি যেমন বেড়েছে, সেইসঙ্গে খরচ হচ্ছে বাড়তি অর্থ ও সময়।

১নং ওয়ার্ডের বালুরচর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসেন জানান, জন্ম নিবন্ধনের জন্য পৌরসভায় যান তিনি। পৌরসভা থেকে অনলাইনে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করলেও কাউন্সিলর স্বাক্ষর প্রয়োজন। কাউন্সিলর কার্যালয়ে না থাকায় তার বাড়িতে গিয়ে স্বাক্ষর নিতে হবে। জনদুর্ভোগ নিরসনে কাউন্সিলরদের দ্রুত কার্যালয়ে ফেরার দাবি জানান তিনি।

৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পৌরসভায় উপস্থিত থাকতে না পেরে কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, রাজনৈতিক কারণে হয়তো অনেকে যাচ্ছেন না। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে। কাউন্সিলর  ও পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) সবার জন্যই নির্দেশনা একই। যারা যাচ্ছেন না আমি উনাদের সঙ্গে কথা বলব, যেন তাঁরা নিয়মিত কার্যালয়ে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা