August 9, 2026, 6:02 am
শিরোনামঃ
শান্তির মিশনে বাংলাদেশের গৌরব ও জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদের নেতৃত্ব আদালতে মামলা পরিচালনার সময় মারা গেলেন সাবেক বার সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে : বিএনপি’র চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ; পাঁচ দফা দাবিতে বাগেরহাটে ১১ দলের বিক্ষোভ ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা জেনারেল (অব.) ড. আজিজ আহমেদ : মূল্যায়ন হোক তথ্যের আলোকে, অপপ্রচারের নয় ধনাগোদা নদীর বুকে অবৈধ ভাসমান রিসোর্টে অভিযান, জরিমানা ও স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা মতলব উত্তরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এমপি ড. জালাল উদ্দিন মতলব উত্তরে ঋণের চাপ ও পারিবারিক কলহে নিভে গেল দুই প্রাণ শিক্ষকদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধান ও বিদ্যালয়ের আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে : ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন এমপি

জেনারেল আব্দুল আজিজ আহম্মদ

নিজস্ব প্রতিনিধি :

চাঁদপুর, মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিন টরকী গ্রামের কৃতি সন্তান বিজিবির সাবেক মহাপরিচালক ও পরবর্তিতে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিজিবিএম, পিবিজিএম, এনডিসি, পিএসসি, জি।

তিনি ১ জানুয়ারি ১৯৬১ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আব্দুল ওয়াদুদ এবং মাতা রেনুজা বেগম।

মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদকে লে. জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে বিজিবি থেকে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন্যাল কমান্ডের জিওসি হিসেবে বদলি হয়ে ছিলেন।

মেজর জেনারেল আজিজ ৭ মে ২০১২ সালে বর্তমান পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং সদর দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এর জিওসি এবং এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

সর্বশেষ ৫ ডিসেম্বর ২০১২ সালে তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

মেজর জেনারেল আজিজ ৮ম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে ১০ জুন ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরে কমিশন প্রাপ্ত হন। চাকরি জীবনে তিনি বিভিন্ন কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষক এর দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পাবর্ত্য চট্টগ্রামে জিএসও-৩ (অপারেশন), পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর, সেনাসদর প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের গ্রেড-২ এবং সেনাসদর, বেতন ও ভাতা পরিদপ্তরের গ্রেড-১ স্টাফ অফিসারের দায়িত্ব।

মেজর জেনারেল আজিজ একটি আর্টিলারি ইউনিট, একটি বিজিবি ব্যাটালিয়ন, বিজিবির একটি সেক্টর, স্বতন্ত্র এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেডসহ মোট দুইটি আর্টিলারি ব্রিগেড এবং একটি পদাতিক ডিভিশন দক্ষতার সাথে কমান্ড করেন। তিনি দীর্ঘদিন স্কুল অব আর্টিলারি এবং স্কুল অব মিলিটারি ইনেটলিজেন্স এর প্রশিক্ষক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা হতে ১৯৭৫ সালে এসএসসি এবং ১৯৮০ সালে কলেজ অব টেক্সটাইল টেকনোলজি, ঢাকা হতে টেক্সটাইল টেকনোলজি সম্পন্ন করেন। তিনি ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএ (পাস), ১৯৯৪ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে মাস্টার অব ডিফেন্স স্টাডিজ ও ২০০৮ সালে এমএসসি (টেকনিক্যাল) এবং ২০০৮ সালে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ইন বাংলাদেশ থেকে এমবিএ (এক্সিকিউটিভ) সম্পন্ন করেন।

মেজর জেনারেল আজিজ ১৯৮৯-১৯৯০ সালে আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুল, হালিশহর, চট্টগ্রাম হতে অফিসার্স গানারী স্টাফ কোর্স এবং ১৯৯২-১৯৯৩ সালে ভারতের দেওলালী হতে লং গানারী স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি একজন মিরপুরিয়ান এবং ১৯৯৪-১৯৯৫ সালে সাফল্যের সাথে আর্মি স্টাফ কোর্স-১৯ সম্পন্ন করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অধীনে ১৯৯৫-১৯৯৬ সালে ইরাক-কুয়েত এ পর্যবেক্ষক এবং ২০০৫-২০০৬ সালে সুদানে জাতিসংঘ মিশন এ ফোর্স কমান্ডার এর সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কর্ম জীবনে তিনি অত্যান্ত সুনামের সাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসাবে কর্ম রত থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

তিনি সিঙ্গাপুর, ভারত, কুয়েত, সৌদিআরব, ইরাক, সাইপ্রাস, ফিজি, অষ্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, চায়না, হংকং, সুদান, কেনিয়া, উগান্ডা, বাহরাইন এবং মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশ সমূহ ভ্রমন করেছেন। বিবাহিত জীবনে তাঁর স্ত্রী বেগম দিলশাদ নাহার আজিজ একজন গৃহিনী। তিনি তিন পুত্র সন্তানের জনক। খেলাধূলা প্রিয় জেনারেল আজিজ গলফ-এ বিশেষ উৎসাহী, অবসরে তিনি বই পড়েন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা